উল্লাপাড়ায় মারধর-চাঁদা দাবির অভিযোগে ৩ পুলিশসহ চারজনের নামে মামলা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৫
উল্লাপাড়ায় মারধর-চাঁদা দাবির অভিযোগে ৩ পুলিশসহ চারজনের নামে মামলা
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক যুবককে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মো. জাহিদুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) তিনি সিরাজগঞ্জ আমলি আদালতে এই মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে- উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামের মো. রুবেল হোসেন, উল্লাপাড়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল হালিম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুস সাত্তার এবং কনস্টেবল মো. মেজবাহ আলীকে। জাহিদুল সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের কানসোনা গ্রামের বাসিন্দা এবং হাচেন আলীর ছেলে। মামলার এজাহারে বলা হয়, রুবেলের সঙ্গে জাহিদুলের ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। গত ৯ আগস্ট রাতে রুবেল একটি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে জাহিদুলের বাড়ির সামনে রেখে ফোন দেন। দু’জনের কৃষ্ণগঞ্জ বাজারে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাহিদুল বের হতে দেরি করলে রুবেল ধূমপানের উদ্দেশে সামনের দিকে চলে যান। কয়েক মিনিট পর ফিরে এসে মোটরসাইকেল না পেয়ে অভিযোগ করেন, সেটি জাহিদুল ও তার লোকজন সরিয়ে ফেলেছে। জাহিদুল তা অস্বীকার করলে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। পরদিন রুবেল উল্লাপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দেন। ১০ আগস্ট রাতে রুবেল তিন পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদুলের বাড়িতে যান। তারা জাহিদুলকে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেল ফেরতের পাশাপাশি এক লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। জাহিদুল এই ঘটনায় আদালতে মামলা করেন। তবে মামলার প্রধান আসামি রুবেল হোসেন বলেন, “জাহিদুল আমার বন্ধু হলেও কৌশলে আমার মোটরসাইকেলটি চুরি করেছে। সে ঘটনাটি আড়াল করতে এখন আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি বা পুলিশ কেউ তার কাছে চাঁদা চাইনি।” অন্যদিকে, মামলার আরেক আসামি এসআই আব্দুল হালিম বলেন, “রুবেলের অভিযোগের ভিত্তিতে মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য আমরা রাতে জাহিদুলের বাড়িতে যাই এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কিন্তু জাহিদুল এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে।”
158
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক যুবককে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী মো. জাহিদুল ইসলাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) তিনি সিরাজগঞ্জ আমলি আদালতে এই মামলা করেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে- উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামের মো. রুবেল হোসেন, উল্লাপাড়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল হালিম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুস সাত্তার এবং কনস্টেবল মো. মেজবাহ আলীকে।
জাহিদুল সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের কানসোনা গ্রামের বাসিন্দা এবং হাচেন আলীর ছেলে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, রুবেলের সঙ্গে জাহিদুলের ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। গত ৯ আগস্ট রাতে রুবেল একটি মোটরসাইকেল নিয়ে এসে জাহিদুলের বাড়ির সামনে রেখে ফোন দেন। দু’জনের কৃষ্ণগঞ্জ বাজারে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাহিদুল বের হতে দেরি করলে রুবেল ধূমপানের উদ্দেশে সামনের দিকে চলে যান। কয়েক মিনিট পর ফিরে এসে মোটরসাইকেল না পেয়ে অভিযোগ করেন, সেটি জাহিদুল ও তার লোকজন সরিয়ে ফেলেছে। জাহিদুল তা অস্বীকার করলে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।
পরদিন রুবেল উল্লাপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দেন। ১০ আগস্ট রাতে রুবেল তিন পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদুলের বাড়িতে যান। তারা জাহিদুলকে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেল ফেরতের পাশাপাশি এক লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
জাহিদুল এই ঘটনায় আদালতে মামলা করেন।
তবে মামলার প্রধান আসামি রুবেল হোসেন বলেন, “জাহিদুল আমার বন্ধু হলেও কৌশলে আমার মোটরসাইকেলটি চুরি করেছে। সে ঘটনাটি আড়াল করতে এখন আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি বা পুলিশ কেউ তার কাছে চাঁদা চাইনি।”
অন্যদিকে, মামলার আরেক আসামি এসআই আব্দুল হালিম বলেন, “রুবেলের অভিযোগের ভিত্তিতে মোটরসাইকেল উদ্ধারের জন্য আমরা রাতে জাহিদুলের বাড়িতে যাই এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কিন্তু জাহিদুল এখন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে।”