সিরাজগঞ্জে পদযাত্রা থেকে সরকারকে সারজিস আলমের যে সতর্কবার্তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে পদযাত্রা থেকে সরকারকে সারজিস আলমের যে সতর্কবার্তা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, সীমান্ত দিয়ে আর কাউকে পুশইন করা এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না বাংলাদেশ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন 'ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের' চেষ্টা হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি 'জুলাই পদযাত্রা' শেষে মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, 'আমরা স্পষ্ট করে একটা কথা বলতে চাই, আমরা আর সীমান্ত দিয়ে একজনকেও পুশইন হতে দেখতে চাই না। সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ডও দেখতে চাই না।' স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ঘোষণা দিয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন হবে। এ জন্য তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি বলেন, 'সরকার ও প্রশাসনের উদ্দেশে একটি হুঁশিয়ারি, একটি সতর্কতা এবং একটি আল্টিমেটাম দিতে চাই। জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও যদি কেউ বিন্দুমাত্র ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করে, তাহলে এই বাংলাদেশে তা আর সম্ভব হবে না। এবার কেউ ভোট চুরির চেষ্টা করলে বা নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইলে তার পরিণতি আগের চেয়েও কঠিন হবে।' পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সরোয়ার তুষার, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, মাহিন সরকারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
117
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, সীমান্ত দিয়ে আর কাউকে পুশইন করা এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না বাংলাদেশ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ চেষ্টা হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে একটা কথা বলতে চাই, আমরা আর সীমান্ত দিয়ে একজনকেও পুশইন হতে দেখতে চাই না। সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ডও দেখতে চাই না।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ঘোষণা দিয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন হবে। এ জন্য তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তবে তিনি বলেন, ‘সরকার ও প্রশাসনের উদ্দেশে একটি হুঁশিয়ারি, একটি সতর্কতা এবং একটি আল্টিমেটাম দিতে চাই। জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও যদি কেউ বিন্দুমাত্র ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করে, তাহলে এই বাংলাদেশে তা আর সম্ভব হবে না। এবার কেউ ভোট চুরির চেষ্টা করলে বা নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইলে তার পরিণতি আগের চেয়েও কঠিন হবে।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সরোয়ার তুষার, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, মাহিন সরকারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
সিরাজগঞ্জে পদযাত্রা থেকে সরকারকে সারজিস আলমের যে সতর্কবার্তা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, সীমান্ত দিয়ে আর কাউকে পুশইন করা এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না বাংলাদেশ। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে নির্বাচন 'ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের' চেষ্টা হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি 'জুলাই পদযাত্রা' শেষে মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, 'আমরা স্পষ্ট করে একটা কথা বলতে চাই, আমরা আর সীমান্ত দিয়ে একজনকেও পুশইন হতে দেখতে চাই না। সীমান্তে কোনো হত্যাকাণ্ডও দেখতে চাই না।' স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার ঘোষণা দিয়েছে আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং এক বছরের মধ্যে সব নির্বাচন সম্পন্ন হবে। এ জন্য তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি বলেন, 'সরকার ও প্রশাসনের উদ্দেশে একটি হুঁশিয়ারি, একটি সতর্কতা এবং একটি আল্টিমেটাম দিতে চাই। জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও যদি কেউ বিন্দুমাত্র ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করে, তাহলে এই বাংলাদেশে তা আর সম্ভব হবে না। এবার কেউ ভোট চুরির চেষ্টা করলে বা নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইলে তার পরিণতি আগের চেয়েও কঠিন হবে।' পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা সরোয়ার তুষার, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, মাহিন সরকারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।