1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
রায়গঞ্জে যুব নেতৃত্ব বিকাশে এনডিপির কর্মশালা সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান সিরাজগঞ্জের মহিবুল হাসানের নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার সদর উপজেলায় শিক্ষা, ভূমি ও জনসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন জেলা প্রশাসকের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ বছরে প্রত্যাশার অনেক কিছুই হয়নি: প্রতিমন্ত্রী মুহিত ১৩০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী ইলিয়ট ব্রিজ, যার নিচে নেই কোনো পিলার সিরাজগঞ্জে নিয়মভঙ্গের দায়ে দুই মিলমালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিরাজগঞ্জের মোবাইদুল ইসলাম মুকুল সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশ থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ, সতর্ক থাকার আহ্বান শাহজাদপুরে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ

অসময়ে নদী ভাঙন, আতঙ্কে যমুনা পাড়ের মানুষ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
অসময়ে ভাঙছে নদীর পাড়, আতঙ্কে যমুনা পাড়ের মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
181

সিরাজগঞ্জ: বর্ষা শুরুর আগেই যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেইসঙ্গে গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণে নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। ফলে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ।

নদী ভাঙনে গত এক মাসে এই ইউনিয়নের বেশকিছু ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ভাঙন এলাকার কাছাকাছি দু’টি বিদ্যালয়, বিদুৎতের অভিযোগ কেন্দ্র, তিনটি গ্রামের শতশত ঘরবাড়ি, গরুর হাটসহ ধীতপুর কুরশি হাট রয়েছে। এগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় ওই এলাকার হাজারো মানুষ।

এদিকে এখন পর্যন্ত ভাঙনরোধে কোনো পদক্ষেপই নেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। সংস্থাটি বলছে, তিন মাস আগে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ওই সময় সেখানে পানি থাকায় কাজ করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নে গত তিনবছরে দফায় দফায় যমুনার ভাঙনে নদীগর্ভে চলে গেছে তিনটি মসজিদ, দু’টি মাদ্রাসা, বহু বাড়িঘর, ফসলি জমিসহ অনেক স্থাপনা। নদী গর্ভে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকেই অন্যত্র চলে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই এলাকায় ভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে এই ইউনিয়নে ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ধীতপুর, কুরশি ও শ্রীপুর গ্রামের শতশত পরিবার।

অসময়ে ভাঙছে নদীর পাড়, আতঙ্কে যমুনা পাড়ের মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

ভাঙন কবলিত এলাকা থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ থেকে চারশ ফুট দূরে রয়েছে ধীতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুরশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিদুৎতের অভিযোগ কেন্দ্র, গরুর হাটসহ ধীতপুর কুরশি হাট। আর কিছুদিন এভাবে ভাঙতে থাকলে এসব এলাকাও নদীর গর্ভে চলে যাবে বলে জানান স্থায়ীরা।

ধীতপুর গ্রামের বাচ্চু মোল্লা ও আবুল বেপারী বলেন, ‘আমাদের এলাকায় যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। আর কিছুদিন এভাবে চলতে থাকলে নদীর গর্ভে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে না খেয়ে রাস্তায় থাকতে হবে।’

ভাঙন হুমকিকে থাকা কুরশি গ্রামের সুজাবত মোল্লা ও ইয়াসিন মোল্লা বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকেই নদী ভাঙনের সাথে যুদ্ধ করে চলেছি। আমাদের খবর কেউ রাখে না। এখন নদীতে যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে তাতে যেকোনো সময় আমাদের বাড়িঘর যমুনায় বিলীন হয়ে যেতে পারে।’

অসময়ে ভাঙছে নদীর পাড়, আতঙ্কে যমুনা পাড়ের মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

কুরশি হাটের সার ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান বলেন, ‘যমুনার ভাঙনে গত তিনবছরে এই এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসা, ফসলি জমিসহ বহু ঘরবাড়ি নদীতে চলে গেছে। কুরশি হাটও ভাঙতে ভাঙতে এখন ছোট হয়ে এসেছে। ভাঙনরোধে আমরা বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি।’

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমি সোনাতনী ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন এলাকাটা চরাঞ্চলে হওয়ায় সেখানে সবসময় পানি থাকে। সেজন্য কোনো কাজ করা যায় না। তার পরেও ওই এলাকার ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, খুব দ্রুত এর সমাধান হবে।

01

02

Tags: , ,

181
এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত