1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
রায়গঞ্জে যুব নেতৃত্ব বিকাশে এনডিপির কর্মশালা সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান সিরাজগঞ্জের মহিবুল হাসানের নেতৃত্বে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার সদর উপজেলায় শিক্ষা, ভূমি ও জনসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন জেলা প্রশাসকের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ বছরে প্রত্যাশার অনেক কিছুই হয়নি: প্রতিমন্ত্রী মুহিত ১৩০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী ইলিয়ট ব্রিজ, যার নিচে নেই কোনো পিলার সিরাজগঞ্জে নিয়মভঙ্গের দায়ে দুই মিলমালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর এসাইনমেন্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিরাজগঞ্জের মোবাইদুল ইসলাম মুকুল সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশ থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ, সতর্ক থাকার আহ্বান শাহজাদপুরে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, শিক্ষার্থীদের গাছের চারা বিতরণ

যমুনার চরে ‘লাল সোনা’ মরিচের বাম্পার ফলন

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
196

যমুনা নদী তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে নতুন পলিমাটিতে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে ‘লাল সোনা’ খ্যাত মরিচের। অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি ফুটেছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা সরাসরি চরাঞ্চলে এসে মরিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাতের বিজলী, যমুনা, রশনী, ঝিলিক, উন্নত জাত বারি-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে গড়ে ১১ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ থেকে আড়াই মেট্রিক টন।

বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ শুকনা মরিচ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা এবং কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভের মুখ দেখছেন। প্রতি সপ্তাহে কাজিপুর উপজেলার নাটুয়াপাড়া হাটে দেশের বিভিন্ন বড় কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা এসে মরিচ কিনে নিচ্ছেন।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাসিম হোসেন বলেন, ভালো দামের কারণে চরের কৃষকরা মরিচ চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ বছর শুধু সদর উপজেলাতেই প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর চরাঞ্চলের জমি চাষের উপযোগী হয়ে ওঠে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৃষকরা মরিচ চাষ করছেন। এখানে হেক্টর প্রতি শুকনা মরিচের উৎপাদন গড়ে ২ দশমিক ৪ থেকে ২ দশমিক ৫ মেট্রিক টন হচ্ছে। স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস এবং বালিজুরি জাতের মরিচও চাষ হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, মরিচের বাজারমূল্য ভালো থাকায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। অনুকূল পরিবেশ এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ বছর মরিচের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। এতে চরাঞ্চলের কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যমুনার চরাঞ্চলের উর্বর পলিমাটি এবং অনুকূল আবহাওয়া মরিচ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সঠিক পরিকল্পনা ও বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চল দেশের মরিচ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

01

02

Tags: ,

196
এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত