1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
যমুনার চরাঞ্চলে বারোমাসি মরিচের বাম্পার ফলন সিরাজগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে আটক ১ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি হলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি শিক্ষাবিদ ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সিরাজগঞ্জে আদালতে আত্মসমর্পণ, স্থায়ী জামিন পেলেন আমির হামজা অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে মুখোমুখি সিরাজগঞ্জ-মৌলভীবাজার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন ‘২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জে চারা বিতরণ স্বাবলম্বী করতে ১৬ নারীকে সেলাই মেশিন দিল সেবা মুক্ত স্কাউট গ্রুপ ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী: সিরাজগঞ্জের কিংবদন্তি নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে স্মরণ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপে নতুন সদস্য ভর্তি শুরু
                   
                       

৩ মাস পর সিরাজগঞ্জে এলো লিবিয়ায় নিহত নাজমুলের লাশ

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
255

লিবিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত প্রবাসী নাজমুল ইসলাম (৩০)-এর লাশ মৃত্যুর প্রায় তিন মাস পর অবশেষে দেশে ফিরেছে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর মরদেহ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বেতুয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

নাজমুল ওই এলাকার ব্যবসায়ী লোকমান হোসেনের ছেলে। প্রায় তিন বছর আগে জীবিকার তাগিদে চার লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়ায় যান তিনি। গত ২০ জুন ঘরের ভেতর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মারা যান নাজমুল। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। স্বজনদের আবেদনের পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকায় এসে পৌঁছায় লাশ।
লিবিয়া প্রবাসী নাজমুলের লাশ
নিহতের পরিবার জানায়, যে বিদেশি কোম্পানির অধীনে নাজমুল কাজ করতেন, তারা কোনো ক্ষতিপূরণ দেবে না বলে জানানো হয়েছে। নাজমুলের স্ত্রী, আড়াই বছরের এক ছেলে ও বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন।

নাজমুলের বোন মোছা. সুমা খাতুন বলেন, “ভাইয়ের মৃত্যুর পর থেকে আমরা শোকে ভেঙে পড়েছিলাম। লাশ না পাওয়ায় কষ্টটা আরও বেশি হচ্ছিল। অনেক কষ্টের পর অবশেষে তাকে দাফন করতে পারলাম।”

এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ ঘটনাটি জানতেন না বলে জানিয়েছেন রায়গঞ্জ থানার ওসি কে এম মাসুদ রানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হুমায়ুন কবির।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত