1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের সঙ্গে এমইপি গ্রুপের বৈঠক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে সিরাজগঞ্জ বিএনপি নেতা বাচ্চুকে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন পরিদর্শনে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন সিরাজগঞ্জের কৃতি মানুষ আবুল খায়ের সিরাজগঞ্জে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, ফুলেল শুভেচ্ছা জেলা বিএনপির সিরাজগঞ্জে সোলার ব্যবসার নতুন সুযোগ, তালিকাভুক্ত হতে পারবেন উদ্যোক্তারা সিরাজগঞ্জে কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত দুর্গাপূজার প্রতিমা নির্মাণ ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শনে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলে আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু সিরাজগঞ্জ থেকে নতুন দৈনিক পত্রিকা ‘যমুনার কথা’র যাত্রা শুরু

৩ মাস পর সিরাজগঞ্জে এলো লিবিয়ায় নিহত নাজমুলের লাশ

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
285

লিবিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত প্রবাসী নাজমুল ইসলাম (৩০)-এর লাশ মৃত্যুর প্রায় তিন মাস পর অবশেষে দেশে ফিরেছে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর মরদেহ সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের বেতুয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। বেলা ১১টার দিকে জানাজা শেষে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

নাজমুল ওই এলাকার ব্যবসায়ী লোকমান হোসেনের ছেলে। প্রায় তিন বছর আগে জীবিকার তাগিদে চার লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়ায় যান তিনি। গত ২০ জুন ঘরের ভেতর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মারা যান নাজমুল। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মরদেহ দেশে আনতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। স্বজনদের আবেদনের পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকায় এসে পৌঁছায় লাশ।
লিবিয়া প্রবাসী নাজমুলের লাশ
নিহতের পরিবার জানায়, যে বিদেশি কোম্পানির অধীনে নাজমুল কাজ করতেন, তারা কোনো ক্ষতিপূরণ দেবে না বলে জানানো হয়েছে। নাজমুলের স্ত্রী, আড়াই বছরের এক ছেলে ও বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন।

নাজমুলের বোন মোছা. সুমা খাতুন বলেন, “ভাইয়ের মৃত্যুর পর থেকে আমরা শোকে ভেঙে পড়েছিলাম। লাশ না পাওয়ায় কষ্টটা আরও বেশি হচ্ছিল। অনেক কষ্টের পর অবশেষে তাকে দাফন করতে পারলাম।”

এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের কেউ ঘটনাটি জানতেন না বলে জানিয়েছেন রায়গঞ্জ থানার ওসি কে এম মাসুদ রানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হুমায়ুন কবির।

01

02

Tags:

285
এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত