জেলার তাড়াশ উপজেলায় একটি খাল থেকে নিখোঁজ সিএনজি অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরে থাকা বিভিন্ন আলামতের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, তাকে হত্যার পর কয়েক দিন ধরে খালের কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে তাড়াশ-রানীরহাট আঞ্চলিক সড়কের বেড়খালি এলাকার একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে তাড়াশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. মিলন (৩৩)। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রাঙ্গালিয়া গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে। তিনি বগুড়ায় সিএনজি অটোরিকশা চালাতেন বলে জানা গেছে।
তাড়াশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম মোল্লা জানান, উদ্ধারকৃত মরদেহে পচন ধরেছিল এবং শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নিহতের ঘাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা কয়েক দিন আগে তাকে হত্যা করে মরদেহটি খালের কচুরিপানার নিচে গোপন করে রাখে, যাতে সহজে কেউ খুঁজে না পায়।
তিনি আরও বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
Tags: খাল, মরদেহ উদ্ধার, সিএনজিচালক
পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...