উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে যমুনা সেতু টোলমুক্ত করা হোক। ২৩ জুন ২০২৬, যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনের ২৮ বছর পূর্ণ হলো। এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে টোল বাবদ আদায় হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি (২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত আদায় হয়েছিল ৭ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা)। যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ও চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা, যাতে এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হয়। উন্নয়ন যে একেবারেই হয়নি, তা নয়; তবে তা এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এই ২৮ বছর পরেও উত্তরাঞ্চলে প্রত্যাশিত শিল্পায়ন না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো যমুনা সেতুর উচ্চ টোল। এমনিতেই উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলা সমুদ্রবন্দর থেকে অনেক দূরে। এর ওপর যমুনা সেতুর অতিরিক্ত টোল পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়, যা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। যেহেতু সেতু নির্মাণে ব্যয়িত অর্থের প্রায় তিন গুণেরও বেশি টোল আদায় হয়েছে, তাই এখন সরকারের উচিত সেতুটি টোলমুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে শিল্প স্থাপনে উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ও সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনমান আরও সমৃদ্ধ হবে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষকে জিম্মি করে তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে বাধা সৃষ্টি করা বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের চরিত্র হতে পারে না।
49
উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের স্বার্থে যমুনা সেতু টোলমুক্ত করা হোক। ২৩ জুন ২০২৬, যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনের ২৮ বছর পূর্ণ হলো। এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে টোল বাবদ আদায় হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি (২০২৩ সালের জুলাই পর্যন্ত আদায় হয়েছিল ৭ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা)।
যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ও চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা, যাতে এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং মানুষের জীবনমান উন্নত হয়। উন্নয়ন যে একেবারেই হয়নি, তা নয়; তবে তা এখনও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
এই ২৮ বছর পরেও উত্তরাঞ্চলে প্রত্যাশিত শিল্পায়ন না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো যমুনা সেতুর উচ্চ টোল। এমনিতেই উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলা সমুদ্রবন্দর থেকে অনেক দূরে। এর ওপর যমুনা সেতুর অতিরিক্ত টোল পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়, যা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।
যেহেতু সেতু নির্মাণে ব্যয়িত অর্থের প্রায় তিন গুণেরও বেশি টোল আদায় হয়েছে, তাই এখন সরকারের উচিত সেতুটি টোলমুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলে শিল্প স্থাপনে উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ও সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এতে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে, স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনমান আরও সমৃদ্ধ হবে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষকে জিম্মি করে তাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে বাধা সৃষ্টি করা বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের চরিত্র হতে পারে না।