1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার, খুললো প্রধান ফটক জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে সিরাজগঞ্জ, প্রথম প্রতিপক্ষ মৌলভীবাজার সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন সাইফুল ইসলাম সিরাজগঞ্জের সন্তান রবিন খুদার নেতৃত্বে ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্প শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার কম্বোডিয়ায় পিপিএসইজেডের সিইওর সঙ্গে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন পরিচালকের বৈঠক ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল কৃষকের যানজট কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়েছে সিরাজগঞ্জ-যমুনা সেতু মহাসড়ক সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা
                   
                       

সিরাজগঞ্জের বাজারে ধীরে ধীরে জমে উঠছে কেনাকাটা

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
54

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বাজারে ধীরে ধীরে জমে উঠছে কেনাকাটা। তবে অন্যান্য বড় উৎসবের তুলনায় এবার কেনাকাটার চাপ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের পোশাক কেনাকাটাই বেশি দেখা যাচ্ছে।

শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও অনেক দোকানির মতে, বেচাকেনা প্রত্যাশার তুলনায় কম। এর একটি বড় কারণ হিসেবে টানা বৃষ্টিকে দায়ী করছেন তারা।
ঈদের কেনাকাটা
সিরাজগঞ্জ শহরের কয়েকটি রেডিমেড পোশাকের দোকানে শিশুদের জামা, ফ্রক, পাঞ্জাবি ও নারীদের থ্রি-পিস কিনতে দেখা যায় ক্রেতাদের। অনেকেই পরিবার নিয়ে বাজারে এসেছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে।

দুই বাচ্চাসহ বাজারে আসা শিউলি পারভীন বলেন, “বাচ্চাদের জন্য কিছু পোশাক কিনতে এসেছি। ঈদে ওদের নতুন জামা না হলে ভালো লাগে না। তবে বৃষ্টির কারণে বারবার বের হওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”

আরেক ক্রেতা রুখসানা জানান, “দাম আগের তুলনায় একটু বেশি মনে হচ্ছে। তারপরও ঈদ বলে কিছু কেনাকাটা করতেই হচ্ছে।”

শহরের তালুকদার ক্লোথ স্টোরের তরুণ ব্যবসায়ী জিল্লুর তালুকদার বলেন, “মার্কেটে মানুষ আসছে, কিন্তু বিক্রি আগের ঈদের মতো না। বৃষ্টির কারণে অনেক ক্রেতা আসতে পারছেন না। তারপরও আশা করছি শেষ কয়েক দিনে বিক্রি বাড়বে।”

আরেক ক্রেতা জসিমউদদীন বলেন, “কোরবানির ঈদে সাধারণত পোশাক কেনাকাটা কম হয়। তারপরও পরিবারের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে এসেছি।”

অন্যদিকে টেইলারিং দোকানগুলোতেও কাজের চাপ দেখা গেছে। কাপড় সেলাইয়ের জন্য অনেকেই অর্ডার দিচ্ছেন। তবে কাজের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউ সেঞ্চুরি টেইলার্সের মালিক রজব আলি বলেন, “ঈদ সামনে থাকায় কাজ তো আছেই। তবে আগের বছরের মতো অত চাপ নেই। বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে বাজারে।”

এদিকে সন্ধ্যার পর শহরের বিভিন্ন মার্কেটে মানুষের ভিড় কিছুটা বাড়তে দেখা গেছে। বিশেষ করে শিশুদের পোশাকের দোকান ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল বেশি।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত