1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
                   
                       

নববর্ষকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে জমে উঠেছে শতবর্ষী গামছার হাট

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
94

বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গামছার হাটে এখন উপচে পড়া ভিড়। জেলার বিভিন্ন তাঁতপল্লীতে বাড়তি কাজের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন শ্রমিকরা। সারা দেশ থেকে পাইকাররা এসে হাট ঘুরে গামছা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, ফলে জমে উঠেছে বেচাকেনা।

সোহাগপুর, এনায়েতপুর, শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ শহর ঘিরে গড়ে ওঠা কাপড়ের হাটগুলোর মধ্যে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের পাঁচিলা এলাকায় বসা হাটটি সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন হিসেবে পরিচিত। শত বছরের এই হাট এখনও জেলার তাঁতশিল্পের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও শুক্রবার ভোর থেকেই বসে রঙিন গামছার এই বাজার। লাখ লাখ টাকার গামছা বিক্রি হয় প্রতিটি হাটবারে।

পাঁচিলা গ্রামের এক তাঁতশ্রমিক রফিকুল ইসলাম বলেন, নববর্ষ এলেই কাজ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এখন দিনরাত তাঁত চালাতে হচ্ছে। বৈশাখে গামছার চাহিদা এত বেশি থাকে যে সময়মতো সরবরাহ দিতে সবাইকে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়।

বেলকুচি এলাকার এক তাঁতমালিক মাহবুব আলম জানান, নববর্ষকে ঘিরে প্রতিবছরই চাহিদা বাড়ে। এবারও আগেভাগে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। তবে সুতা ও রংসহ কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। তারপরও বাজার ধরে রাখতে শ্রমিকদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

মহাসড়কের পাশে হাট বসায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা সহজে আসতে পারেন। এতে তাঁতমালিকদের বিক্রি সহজ হয়। ঢাকার এক পাইকার কামাল হোসেন ও নরসিংদির ব্যবসায়ী জাকির মিয়া জানান, দুই দশকের বেশি সময় ধরে তারা এই হাট থেকে গামছা কিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করছেন। নববর্ষ উপলক্ষে এখন বাজার বেশ চাঙা। গত সপ্তাহে প্রতি থান চার পিস গামছা ৩৫০ টাকায় কিনলেও এ সপ্তাহে তা ৪০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

তাঁতশিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একসময় গামছা বুনে ভালো লাভ হতো। কিন্তু কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন সেই লাভ কমে এসেছে। শিল্পটি টিকিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বেলকুচি হ্যান্ডলুম ও পাওয়ারলুম অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, নববর্ষ ঘিরে এই কর্মচাঞ্চল্য শুধু স্থানীয় অর্থনীতিকেই সচল রাখছে না, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকেও বাঁচিয়ে রাখছে। যথাযথ সহায়তা পেলে এ শিল্প আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ আছে।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত