সিরাজগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ
দেশের তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। চলতি ব্যাচে সারা দেশ থেকে প্রায় ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন, যা তরুণদের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন আয়ের প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহের প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ১২ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ৭ মার্চ মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এরপর চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে শুরু হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ষষ্ঠ ব্যাচ। এদিকে সিরাজগঞ্জে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় প্রায় ৫০০ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। একদিনে এত বিপুল সংখ্যক তরুণের অংশগ্রহণকে এ খাতে একটি বড় আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৬২ শতাংশ, অর্থাৎ ৬ হাজার ৭৩২ জন প্রশিক্ষণার্থী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মোট আয় প্রায় ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৬ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ টাকার সমপরিমাণ। এর আগে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে ১৬ জেলায় ৬ হাজার ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫১৭ জন আয়মুখী কাজে যুক্ত হতে সক্ষম হন, যা ছিল ৭০ শতাংশেরও বেশি সাফল্য। ওই পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থীদের মোট আয় ছিল প্রায় ১৫ লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সমমান। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিক এই উদ্যোগ ও সাফল্যের ফলে দেশের তরুণ সমাজ ক্রমেই বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
44
দেশের তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে পরিচালিত ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। চলতি ব্যাচে সারা দেশ থেকে প্রায় ৬০ হাজার পরীক্ষার্থী আবেদন করেছেন, যা তরুণদের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং ও অনলাইন আয়ের প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহের প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে ই–লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ৪ হাজার ৮০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের বিপরীতে গড়ে ১২ থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ৭ মার্চ মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। এরপর চূড়ান্ত ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের প্রতিটি জেলা থেকে ৭৫ জন করে প্রশিক্ষণার্থী নিয়ে শুরু হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ষষ্ঠ ব্যাচ।
এদিকে সিরাজগঞ্জে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় প্রায় ৫০০ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। একদিনে এত বিপুল সংখ্যক তরুণের অংশগ্রহণকে এ খাতে একটি বড় আয়োজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৬২ শতাংশ, অর্থাৎ ৬ হাজার ৭৩২ জন প্রশিক্ষণার্থী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের মোট আয় প্রায় ১৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৬ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি ৭০ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
এর আগে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে ১৬ জেলায় ৬ হাজার ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫১৭ জন আয়মুখী কাজে যুক্ত হতে সক্ষম হন, যা ছিল ৭০ শতাংশেরও বেশি সাফল্য। ওই পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থীদের মোট আয় ছিল প্রায় ১৫ লাখ ৮১ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকার সমমান।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিক এই উদ্যোগ ও সাফল্যের ফলে দেশের তরুণ সমাজ ক্রমেই বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।