সিরাজগঞ্জে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ
সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক জনাব মো. আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় নির্ধারিত নিয়মে পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ পাঠ, শুদ্ধ তিলাওয়াত ও উচ্চারণের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। বিচারকমণ্ডলী প্রতিযোগীদের সাবলীলতা, তাজবীদ অনুসরণ, কণ্ঠস্বরের স্বচ্ছতা ও উপস্থাপনা দক্ষতার ওপর নম্বর প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তরুণ প্রজন্মের মাঝে পবিত্র কুরআনের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা এবং কুরআন মুখস্থ করার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শুদ্ধ তিলাওয়াত, সঠিক উচ্চারণ, শৃঙ্খলা ও একাগ্রতা গড়ে ওঠে। পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ তৈরি হয়। বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রতিভাবান হাফেজদের খুঁজে বের করে তাদের সম্মানিত করার সুযোগ তৈরি করে এবং সমাজে ধর্মীয় চেতনা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে। নতুন প্রজন্মকে সৎ, আদর্শবান ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
5
সিরাজগঞ্জে জেলা পর্যায়ে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক জনাব মো. আমিনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় নির্ধারিত নিয়মে পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ পাঠ, শুদ্ধ তিলাওয়াত ও উচ্চারণের ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। বিচারকমণ্ডলী প্রতিযোগীদের সাবলীলতা, তাজবীদ অনুসরণ, কণ্ঠস্বরের স্বচ্ছতা ও উপস্থাপনা দক্ষতার ওপর নম্বর প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তরুণ প্রজন্মের মাঝে পবিত্র কুরআনের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা এবং কুরআন মুখস্থ করার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শুদ্ধ তিলাওয়াত, সঠিক উচ্চারণ, শৃঙ্খলা ও একাগ্রতা গড়ে ওঠে। পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ তৈরি হয়।
বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রতিভাবান হাফেজদের খুঁজে বের করে তাদের সম্মানিত করার সুযোগ তৈরি করে এবং সমাজে ধর্মীয় চেতনা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে। নতুন প্রজন্মকে সৎ, আদর্শবান ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আলেম-ওলামা, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।