ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা শহরের ইবি রোডে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, একটি পক্ষ দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এগুলো তারা এরই ধারাবাহিকতায় করে যাচ্ছে। তবে বলে রাখতে চাই, এগুলো করে নির্বাচনকে বন্ধ করা যাবে না। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ঢাকার বুকে গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’ এবং ‘হাদির মাথায় গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন। এ সময় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুন্সী জাহেদুল আলম, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলামিন খান, কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আজিম, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতারা বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।
188
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা শহরের ইবি রোডে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, একটি পক্ষ দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এগুলো তারা এরই ধারাবাহিকতায় করে যাচ্ছে। তবে বলে রাখতে চাই, এগুলো করে নির্বাচনকে বন্ধ করা যাবে না।
মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ঢাকার বুকে গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’ এবং ‘হাদির মাথায় গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন। এ সময় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুন্সী জাহেদুল আলম, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলামিন খান, কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আজিম, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
নেতারা বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি এবং চট্টগ্রাম–৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চুর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। জেলা শহরের ইবি রোডে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাজার স্টেশন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, একটি পক্ষ দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এগুলো তারা এরই ধারাবাহিকতায় করে যাচ্ছে। তবে বলে রাখতে চাই, এগুলো করে নির্বাচনকে বন্ধ করা যাবে না। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘ঢাকার বুকে গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’ এবং ‘হাদির মাথায় গুলি কেন? ওই প্রশাসন জবাব দে’সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন। এ সময় হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। বিক্ষোভ মিছিলে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর কায়েম সবুজ, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুন্সী জাহেদুল আলম, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলামিন খান, কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল আজিম, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতারা বলেন, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় না আনা হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।