সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় কৃষকেরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে নতুন ধান স্থানীয় হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে। সরকারিভাবে ধান ক্রয় অভিযান শুরু এবং বাজারে ভালো দাম থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কৃষকেরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা বেশি জমিতে আবাদ করেছেন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে ফলন ভালো হয়েছে। যদিও চলতি মাসের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সামান্য ক্ষতি হয়েছে। চলনবিল এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তাড়াশ, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর ও উল্লাপাড়ায় কৃষকের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় শ্রমিকের বাড়তি মজুরি দিয়েও দ্রুত ধান কেটে নিচ্ছেন কৃষকেরা। বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ মিনিকেট ও কাটারি ভোগ ধান ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রি-২৯সহ অন্যান্য জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে। ভেজা ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। বাজারে ধানের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশা করছেন কৃষকেরা। এদিকে সরকারিভাবে জেলায় এবার ১৪ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের ৩ তারিখ থেকে জেলার সবকটি সরকারি গুদামে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৭ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম মঞ্জুরে মাওলা জানান, এ বছর ইরি-বোরো ধানের ফলন সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির ফলে ভালো ফলন সম্ভব হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
78
সিরাজগঞ্জে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হওয়ায় কৃষকেরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতোমধ্যে নতুন ধান স্থানীয় হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে। সরকারিভাবে ধান ক্রয় অভিযান শুরু এবং বাজারে ভালো দাম থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কৃষকেরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা বেশি জমিতে আবাদ করেছেন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে ফলন ভালো হয়েছে। যদিও চলতি মাসের শুরুতে ঝড়-বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সামান্য ক্ষতি হয়েছে।
চলনবিল এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তাড়াশ, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর ও উল্লাপাড়ায় কৃষকের ব্যস্ততা চোখে পড়ার মতো। আবহাওয়ার অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় শ্রমিকের বাড়তি মজুরি দিয়েও দ্রুত ধান কেটে নিচ্ছেন কৃষকেরা।
বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ মিনিকেট ও কাটারি ভোগ ধান ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রি-২৯সহ অন্যান্য জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে গড়ে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে। ভেজা ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। বাজারে ধানের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশা করছেন কৃষকেরা।
এদিকে সরকারিভাবে জেলায় এবার ১৪ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের ৩ তারিখ থেকে জেলার সবকটি সরকারি গুদামে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৫৭ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম মঞ্জুরে মাওলা জানান, এ বছর ইরি-বোরো ধানের ফলন সন্তোষজনক। কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির ফলে ভালো ফলন সম্ভব হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।