1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
                   
                       

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধি, নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
30

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে থাকলেও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলে তীব্র নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। ইতোমধ্যে চর সলিমাবাদ এলাকায় প্রায় ১২০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, উজানের ঢল ও অভ্যন্তরীণ ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে গত কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভাঙন ঠেকাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে যমুনার পানি কাজীপুর পয়েন্টে ৪০ সেন্টিমিটার এবং সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে ৩৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে বর্তমানে কাজীপুর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩ দশমিক ২ মিটার এবং সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে ২ দশমিক ৬৫ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল হাসান বলেন, উজানের পানির চাপ ও বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী কয়েকদিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এ দফায় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই।

পাউবোর তথ্য বলছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এ পর্যন্ত যমুনার পানি অন্তত পাঁচবার ওঠানামা করেছে। পানির এই অস্বাভাবিক ওঠানামার ফলে চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কয়েক সপ্তাহে চর সলিমাবাদ এলাকায় পাঁচ থেকে ছয়টি বসতঘর এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। আকস্মিক ভাঙনের কারণে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৪ জুন এক দিনের ব্যবধানে যমুনা আমার ঘরটি গিলে খেয়েছে। ঘরের জিনিসপত্রও সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাইনি।’

সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মওদুদ আহমেদ সবুজ বলেন, চর সলিমাবাদ এলাকায় নতুন একটি চর জেগে ওঠায় নদীর মূল স্রোত সরাসরি তীরে আঘাত করছে। ফলে সেখানে আকস্মিক ও তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, ভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও করণীয় নির্ধারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

01

02

Tags: , ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত