২০০৭ সালের বিসিএসের চাকরি ২০২৬ এ পেলেন সিরাজগঞ্জের মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
২০০৭ সালের বিসিএসের চাকরি ২০২৬ এ পেলেন সিরাজগঞ্জের মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী
সরকার পরিবর্তনের টানাপোড়েনে বাতিল হয়ে যায় বহুল আলোচিত ২৭তম বিসিএস। সেই বিসিএসেই পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এক দম্পতি। দীর্ঘ ১৮ বছরের রুদ্ধশ্বাস আইনি লড়াই শেষে অবশেষে বিজয়ের হাসি ফুটল তাঁদের মুখে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই তালিকার সবচেয়ে আলোচিত ও উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছেন দম্পতি মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী ও আফরোজা হক খান। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনপ্রশাসনে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৭০ জন পুলিশ ক্যাডারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন এই অদম্য দম্পতি। বর্তমানে দুজনই সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকলেও, নিজেদের স্বপ্নের ক্যাডারে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা কখনো বিসর্জন দেননি। সেই স্বপ্ন পূরণে এবার তাঁরা পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিরাজগঞ্জের মাসুমপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী বর্তমানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপপরিচালক পদে কর্মরত। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী আফরোজা হক খান কর্মরত রয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনে। শিক্ষাজীবনে ওয়াজকুরনী ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। আফরোজা হক খান ভারতেশ্বরী হোমস থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন। দীর্ঘ ১৮ বছর আগের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেওয়ায় আবেগে আপ্লুত এই দম্পতি ও তাঁদের পরিবার। তাঁরা জানান, এই রায় শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত জয় নয়; বরং এটি সরকারি কর্ম কমিশনের মতো একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থার স্বচ্ছতা এবং বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের শেষ দিকে ২৭তম বিসিএসের প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করা হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ আইনি লড়াই। দেড় যুগের বেশি সময় পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে প্রথম সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগের পথ খুলে দেয়। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই দীর্ঘ বঞ্চনার অবসান ঘটল। প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে আগামী ১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করতে হবে।
72
সরকার পরিবর্তনের টানাপোড়েনে বাতিল হয়ে যায় বহুল আলোচিত ২৭তম বিসিএস। সেই বিসিএসেই পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এক দম্পতি। দীর্ঘ ১৮ বছরের রুদ্ধশ্বাস আইনি লড়াই শেষে অবশেষে বিজয়ের হাসি ফুটল তাঁদের মুখে।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পর বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৬৭৩ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এই তালিকার সবচেয়ে আলোচিত ও উজ্জ্বল নাম হয়ে উঠেছেন দম্পতি মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী ও আফরোজা হক খান।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনপ্রশাসনে নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৭০ জন পুলিশ ক্যাডারের তালিকায় স্থান পেয়েছেন এই অদম্য দম্পতি। বর্তমানে দুজনই সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকলেও, নিজেদের স্বপ্নের ক্যাডারে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা কখনো বিসর্জন দেননি। সেই স্বপ্ন পূরণে এবার তাঁরা পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জের মাসুমপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ ওয়াজকুরনী বর্তমানে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে উপপরিচালক পদে কর্মরত। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী আফরোজা হক খান কর্মরত রয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনে।
শিক্ষাজীবনে ওয়াজকুরনী ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাসের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। আফরোজা হক খান ভারতেশ্বরী হোমস থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন।
দীর্ঘ ১৮ বছর আগের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেওয়ায় আবেগে আপ্লুত এই দম্পতি ও তাঁদের পরিবার। তাঁরা জানান, এই রায় শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত জয় নয়; বরং এটি সরকারি কর্ম কমিশনের মতো একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থার স্বচ্ছতা এবং বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের শেষ দিকে ২৭তম বিসিএসের প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রথম মৌখিক পরীক্ষার ফল বাতিল করা হয়। এরপর শুরু হয় দীর্ঘ আইনি লড়াই। দেড় যুগের বেশি সময় পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে প্রথম সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগের পথ খুলে দেয়। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই দীর্ঘ বঞ্চনার অবসান ঘটল।
প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, নবনিয়োগপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে আগামী ১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগদান করতে হবে।