যমুনার বুক থেকে বয়ে আসা শীতল বাতাস আর ভোরের স্নিগ্ধ পরিবেশে সিরাজগঞ্জে অনুভূত হচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। দিনের বেলায় রোদের তাপ থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে রাত ও ভোরে বাড়ছে শীতলতার অনুভূতি। মাঠ-ঘাট, চরাঞ্চল ও গ্রামীণ জনপদে ঋতু পরিবর্তনের এই আভাস মিলছে।
সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্ট ও যমুনা বহুমুখী সেতুর আশপাশে নদীর বাতাসে তৈরি হচ্ছে ভিন্ন আবহ। ভোরে ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দু আর খোলা মাঠের স্নিগ্ধ পরিবেশ শীতের আগমনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এখনো জেঁকে বসেনি শীত।
শহররক্ষা বাঁধে হাঁটতে বের হওয়া মানুষ থেকে শুরু করে চৌহালী ও বেলকুচির চরাঞ্চলের কৃষক এবং তাঁতশ্রমিকরা ভোরের শীতল বাতাস টের পাচ্ছেন। দিনের উষ্ণতা থাকলেও রাত গভীর হলে ও ভোরের দিকে হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে।
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন অনেকে। ঘর থেকে বের করা হচ্ছে তুলে রাখা গরম পোশাক। শিশু ও বয়স্কদের জন্য শীতের পোশাক প্রস্তুত রাখছেন পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ বাজার, এস এস রোড ও পাম্পের মোড় এলাকার কাপড় ব্যবসায়ীরা শীত বাড়ার সঙ্গে গরম কাপড়ের বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন।
শীতকে ঘিরে গ্রামীণ জনপদে নবান্ন, পিঠাপুলি ও নানা লোকজ ঐতিহ্যের আমেজও তৈরি হয়। তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বাড়তি যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
সব মিলিয়ে দিনের উষ্ণতা আর রাতের শীতলতার মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের প্রকৃতিতে এখন ঋতু বদলের আভাস। যমুনার হিমেল বাতাস ও শিশিরভেজা ভোরের মধ্য দিয়ে শীতকে বরণ করার অপেক্ষায় রয়েছে জেলার মানুষ।
Tags: সিরাজগঞ্জে শীত
পরবর্তী নিউজ লোড হচ্ছে...