সিরাজগঞ্জের নয়টি উপজেলায় ৫৬২টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মণ্ডপগুলোর পাশাপাশি মহাসড়কেও জোরদার করা হয়েছে টহল ও নজরদারি। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, পূজাকে ঘিরে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা তদারকি করছেন এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। নিরাপত্তাব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাদের ভাষ্য, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শনে দর্শনার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি হয়েছে। পূজা উদযাপন ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘উৎসব যেন সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) আমাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছেন। এ ছাড়া মন্ত্রীও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রশাসনের আন্তরিকতায় আমরা আশাবাদী, এবারের পূজা অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হবে।’ জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, নয়টি উপজেলার ৫৬২টি পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের বিশেষ দলও কাজ করছে। পূজার শেষ দিন পর্যন্ত এই নিরাপত্তাব্যবস্থা বজায় থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
45
সিরাজগঞ্জের নয়টি উপজেলায় ৫৬২টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মণ্ডপগুলোর পাশাপাশি মহাসড়কেও জোরদার করা হয়েছে টহল ও নজরদারি।
জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, পূজাকে ঘিরে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা তদারকি করছেন এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
নিরাপত্তাব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাদের ভাষ্য, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শনে দর্শনার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি হয়েছে।
পূজা উদযাপন ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘উৎসব যেন সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) আমাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছেন। এ ছাড়া মন্ত্রীও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রশাসনের আন্তরিকতায় আমরা আশাবাদী, এবারের পূজা অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হবে।’
জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, নয়টি উপজেলার ৫৬২টি পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের বিশেষ দলও কাজ করছে।
পূজার শেষ দিন পর্যন্ত এই নিরাপত্তাব্যবস্থা বজায় থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
সিরাজগঞ্জের নয়টি উপজেলায় ৫৬২টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মণ্ডপগুলোর পাশাপাশি মহাসড়কেও জোরদার করা হয়েছে টহল ও নজরদারি। জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, পূজাকে ঘিরে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নিরাপত্তাব্যবস্থা তদারকি করছেন এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। নিরাপত্তাব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাদের ভাষ্য, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশের দৃশ্যমান উপস্থিতি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শনে দর্শনার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা তৈরি হয়েছে। পূজা উদযাপন ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘উৎসব যেন সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) আমাদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছেন। এ ছাড়া মন্ত্রীও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। প্রশাসনের আন্তরিকতায় আমরা আশাবাদী, এবারের পূজা অত্যন্ত চমৎকারভাবে সম্পন্ন হবে।’ জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, নয়টি উপজেলার ৫৬২টি পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক ৭৪৮ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের বিশেষ দলও কাজ করছে। পূজার শেষ দিন পর্যন্ত এই নিরাপত্তাব্যবস্থা বজায় থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।