নদীভাঙন রোধে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান ডিসি’র
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
আপডেট সময়
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
নদীভাঙন রোধে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান ডিসি’র
ভাঙন প্রতিরোধে নদীর তীর, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। ফলে নদীর তীরের মাটির ক্ষয় রোধে এই ঘাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কম খরচে নদীভাঙন প্রতিরোধে বিন্না ঘাস রোপণ একটি সাশ্রয়ী ও টেকসই বিকল্প হতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে সিরাজগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিন্না ঘাস রোপণের মাধ্যমে মাটির বাঁধন শক্ত করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ নদীর তীরের মাটি সংরক্ষণে সহায়ক হতে পারে। তাই নদী, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে পরিকল্পিতভাবে বিন্না ঘাস রোপণ এবং এর পরিচর্যায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।’ সভায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার। এ ছাড়া, সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়, ফায়ার সার্ভিস এবং রোভার স্কাউটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
101
ভাঙন প্রতিরোধে নদীর তীর, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। ফলে নদীর তীরের মাটির ক্ষয় রোধে এই ঘাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কম খরচে নদীভাঙন প্রতিরোধে বিন্না ঘাস রোপণ একটি সাশ্রয়ী ও টেকসই বিকল্প হতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে সিরাজগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিন্না ঘাস রোপণের মাধ্যমে মাটির বাঁধন শক্ত করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ নদীর তীরের মাটি সংরক্ষণে সহায়ক হতে পারে। তাই নদী, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে পরিকল্পিতভাবে বিন্না ঘাস রোপণ এবং এর পরিচর্যায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।’
সভায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার। এ ছাড়া, সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়, ফায়ার সার্ভিস এবং রোভার স্কাউটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
নদীভাঙন রোধে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান ডিসি’র
ভাঙন প্রতিরোধে নদীর তীর, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে বেশি বেশি বিন্না ঘাস রোপণের আহ্বান জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে। ফলে নদীর তীরের মাটির ক্ষয় রোধে এই ঘাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কম খরচে নদীভাঙন প্রতিরোধে বিন্না ঘাস রোপণ একটি সাশ্রয়ী ও টেকসই বিকল্প হতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে সিরাজগঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় বিন্না ঘাস রোপণের মাধ্যমে মাটির বাঁধন শক্ত করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ নদীর তীরের মাটি সংরক্ষণে সহায়ক হতে পারে। তাই নদী, খাল ও জলাশয়ের পাড়ে পরিকল্পিতভাবে বিন্না ঘাস রোপণ এবং এর পরিচর্যায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।’ সভায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার। এ ছাড়া, সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়, ফায়ার সার্ভিস এবং রোভার স্কাউটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।