সিরাজগঞ্জের সন্তান রবিন খুদার নেতৃত্বে ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্প
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
সিরাজগঞ্জের সন্তান রবিন খুদার নেতৃত্বে ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের ডেটা সেন্টার প্রকল্প
সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদের সম্ভান্ত্র পরিবারে জন্ম নেওয়া রবিন খুদা আজ বিশ্বের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা। তার নেতৃত্বাধীন ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান এয়ারট্রাঙ্ক ভারতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডিজিটাল অবকাঠামোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতে ৫ গিগাওয়াটের বেশি ডেটা সেন্টার সক্ষমতা গড়ে তুলবে এয়ারট্রাঙ্ক। এটি দেশটির বৃহত্তম ডিজিটাল অবকাঠামো বিনিয়োগ কর্মসূচিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রবিন খুদার জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার সয়দাবাদ এলাকায়। শৈশবের একটি অংশ কাটলেও পরে তিনি ঢাকায় বেড়ে ওঠেন। ১৯৯৭ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে হিসাববিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষে তিনি যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০১৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এয়ারট্রাঙ্ক। শুরুতে অর্থায়ন সংকটে নিজের সঞ্চয় ব্যবহার করেও প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। তবে এক দশকের মধ্যে এয়ারট্রাঙ্ক এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার অপারেটরে পরিণত হয়েছে। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে রবিন খুদার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ-এর ‘বিজনেস পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোনের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারে এয়ারট্রাঙ্ক অধিগ্রহণ করে। এরপরও প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রবিন খুদা। বিশ্লেষকদের মতে, সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ থেকে উঠে এসে বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া রবিন খুদার এই সাফল্য দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার গল্প।
530
সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদের সম্ভান্ত্র পরিবারে জন্ম নেওয়া রবিন খুদা আজ বিশ্বের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম সফল উদ্যোক্তা। তার নেতৃত্বাধীন ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান এয়ারট্রাঙ্ক ভারতে ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং ও ডিজিটাল অবকাঠামোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতে ৫ গিগাওয়াটের বেশি ডেটা সেন্টার সক্ষমতা গড়ে তুলবে এয়ারট্রাঙ্ক। এটি দেশটির বৃহত্তম ডিজিটাল অবকাঠামো বিনিয়োগ কর্মসূচিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রবিন খুদার জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার সয়দাবাদ এলাকায়। শৈশবের একটি অংশ কাটলেও পরে তিনি ঢাকায় বেড়ে ওঠেন। ১৯৯৭ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে হিসাববিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষে তিনি যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০১৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন এয়ারট্রাঙ্ক। শুরুতে অর্থায়ন সংকটে নিজের সঞ্চয় ব্যবহার করেও প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। তবে এক দশকের মধ্যে এয়ারট্রাঙ্ক এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার অপারেটরে পরিণত হয়েছে।
ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে রবিন খুদার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে তিনি অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ-এর ‘বিজনেস পারসন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালে বিশ্বের শীর্ষ বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোনের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারে এয়ারট্রাঙ্ক অধিগ্রহণ করে। এরপরও প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রবিন খুদা।
বিশ্লেষকদের মতে, সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ থেকে উঠে এসে বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া রবিন খুদার এই সাফল্য দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার গল্প।