সিরাজগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের কৃষিভিত্তিক বাণিজ্য ও উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তর এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তরের ইভ্যালুয়েশন অফিসার মিকাল খান এবং সিনিয়র উপদেষ্টা ও পরামর্শক অভিনব গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অংশ নেন সেক্টর ভ্যালু চেইন স্পেশালিস্ট ড. এস. এম. ফারুক উল আলম, মনিটরিং ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ভ্যালু চেইন প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. এরফান আলী। ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন খান, পরিচালক (কর্মসূচি ও পরিকল্পনা) এবিএম সাজ্জাদ হোসেন, উপ-পরিচালক (কর্মসূচি ও পরিকল্পনা) আবু নাঈম মো. জুবায়ের খানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় প্রকল্পের অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রভাব, সদস্যদের আয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প-পরবর্তী টেকসই কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিনিধিরা বিভিন্ন উপাত্ত পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে মতামত দেন। একই দিনে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নে একজন প্রাণিসেবা প্রদানকারী এবং একজন কৃত্রিম প্রজনন কর্মীর সঙ্গে সরেজমিন মতবিনিময় করা হয়। সেখানে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ও পরে তাদের আয়, দক্ষতা ও জীবনমানের পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে শ্যামপুর গ্রামে প্রকল্পের ভ্যালু চেইন উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ সদস্যদের নিয়ে পৃথক দুটি দলীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল, স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তর ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় প্রকল্প সমাপ্তির পর কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা, ঋণ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি এবং সদস্যদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। সদস্যরা জানান, প্রকল্পের সহায়তায় তাদের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।
8
সিরাজগঞ্জে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের কৃষিভিত্তিক বাণিজ্য ও উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তর এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তরের ইভ্যালুয়েশন অফিসার মিকাল খান এবং সিনিয়র উপদেষ্টা ও পরামর্শক অভিনব গুপ্ত উপস্থিত ছিলেন। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অংশ নেন সেক্টর ভ্যালু চেইন স্পেশালিস্ট ড. এস. এম. ফারুক উল আলম, মনিটরিং ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা স্পেশালিস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ভ্যালু চেইন প্রকল্প ব্যবস্থাপক ডা. এরফান আলী।
ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন খান, পরিচালক (কর্মসূচি ও পরিকল্পনা) এবিএম সাজ্জাদ হোসেন, উপ-পরিচালক (কর্মসূচি ও পরিকল্পনা) আবু নাঈম মো. জুবায়ের খানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় প্রকল্পের অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রভাব, সদস্যদের আয় ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প-পরবর্তী টেকসই কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রতিনিধিরা বিভিন্ন উপাত্ত পর্যালোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে মতামত দেন।
একই দিনে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নে একজন প্রাণিসেবা প্রদানকারী এবং একজন কৃত্রিম প্রজনন কর্মীর সঙ্গে সরেজমিন মতবিনিময় করা হয়। সেখানে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে ও পরে তাদের আয়, দক্ষতা ও জীবনমানের পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
পরে শ্যামপুর গ্রামে প্রকল্পের ভ্যালু চেইন উন্নয়ন ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ সদস্যদের নিয়ে পৃথক দুটি দলীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল, স্বাধীন মূল্যায়ন দপ্তর ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় প্রকল্প সমাপ্তির পর কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা, ঋণ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি এবং সদস্যদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। সদস্যরা জানান, প্রকল্পের সহায়তায় তাদের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।