1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
উল্লাপাড়ায় ঝড়ে ঘরের ওপর গাছ পড়ে নারী নিহত তাড়াশ ও রায়গঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ২ কামারখন্দে এনডিপির উদ্যোগে ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির জন্য তথ্য সংগ্রহ শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত হলেন আমিরুল ইসলাম খান ডিজেল সংকটে বন্ধ পাম্প, বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় কৃষক রায়গঞ্জে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ইটভাটার চিমনি, জরিমানা লাখ টাকা জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দল সিরাজগঞ্জের আহ্বায়ক ফ্রুট, সদস্য সচিব আলীম বিদ্যুৎ সরবরাহ জটিলতায় সিরাজগঞ্জে সাময়িক বন্ধ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বদলে গেলো শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের নাম
                   
                       

সিরাজগঞ্জের কৃতি মানুষ ফজলে লোহানীকে নিয়ে প্রেস ক্লাবে স্মরণসভা

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫
108

বাংলাদেশের টেলিভিশন সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের পথিকৃৎ ফজলে লোহানীর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও কলামিস্ট ড. মাহবুব উল আলম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ শাহিদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক যুগ্ম সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন লেখক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাকিব লোহানী। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ (বিএসপি)।
ফজলে লোহানী স্মরণসভা

সভায় বক্তারা বলেন, ফজলে লোহানী ছিলেন এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি টেলিভিশনকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, সামাজিক সচেতনতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর উপস্থাপনায় জনপ্রিয় টিভি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “যদি কিছু মনে না করেন” ১৯৭০ ও ৮০ দশকের বাংলাদেশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।

ফজলে লোহানী ১৯২৮ সালের ১২ মার্চ সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আবু লোহানী ছিলেন “বেঙ্গল মুসলিম লিটারারি সোসাইটি”-র অন্যতম বুদ্ধিজীবী এবং মাতা ফাতেমা লোহানী ছিলেন শিক্ষিকা। পরিবারে ছোট ভাই ফজলে লোহানী, বড় ভাই ফতেহ লোহানী ও বোন হুসনা বানু খানম— সবাই ছিলেন সংস্কৃতি ও সাহিত্য জগতের উজ্জ্বল নাম।

১৯৪৯ সালে তিনি Pakistan Observer-এ যোগ দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে দৈনিক সংবাদ ও Pakistan Post-এ কাজ করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তাঁর রচিত “একুশের কবিতা” সুরারোপ করেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী খান আতাউর রহমান।

ফজলে লোহানী

ফজলে লোহানী

১৯৫৩ সালে তিনি আগত্মা নামের একটি সাহিত্য ও ব্যঙ্গধর্মী পত্রিকা প্রকাশ করেন, যা দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। কিন্তু ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান সরকার পত্রিকাটি নিষিদ্ধ করে।

এরপর যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তিনি বিবিসিতে কাজ করেন এবং সেখানে ইংরেজ স্ত্রী এলিজাবেথ হজিন্সের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বাধীনতার পর দেশে ফিরে তিনি সমাজ ও রাজনীতিতে সক্রিয় হন, বিশেষ করে মওলানা ভাসানীর কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ফজলে লোহানীর লেখা ও সম্পাদিত বই ও প্রতিবেদনগুলো আজও সাংবাদিকতা ও সাহিত্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা।

বক্তারা বলেন, “ফজলে লোহানী ছিলেন এক অসাধারণ সংগঠক, চিন্তক ও সংস্কৃতিচর্চার অগ্রদূত। তিনি যে মানবিকতা, রসবোধ ও সাহসিকতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক।”

সভা শেষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত