1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
যমুনা’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা সিরাজগঞ্জ সাংবাদিক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের ভোটের সরঞ্জামাদি সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ পরিচ্ছন্নতা স্বেচ্ছাসেবীর জন্য ৩০টি সাইকেল দিলেন হাজী সাত্তার সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসকের মোবাইল নম্বর হ্যাক করে টাকা দাবি সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জের তাঁতের কাপড়ের হাট সিরাজগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে তরুণদের ব্যাপক আগ্রহ রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২ ঈদ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ সীমান্তে মূল্যবান পণ্যবাহী যান চলাচলে পুলিশ এসকর্ট ব্যবস্থা
                   
                       

সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস সংগ্রহে গাছিদের প্রস্তুতি

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস
সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস সংগ্রহ করছে গাছিরা
154

অক্টোবর পার হয়ে নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশ, এরপরেও শীতের দেখা তেমন একটা নেই। তারপরেও প্রকৃতি প্রস্তুত শীতের আগমনে। সিরাজগঞ্জের গাছিদের ব্যস্ততা শুরু হয়েছে নতুন মৌসুমের শুরুতেই। জেলা সদর, কাজীপুর, রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও শাহজাদপুরের বিভিন্ন গ্রামসহ সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস সংগ্রহের জন্য গাছ প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

জেলার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

গাছিরা জানাচ্ছেন, খেজুর রস সংগ্রহের জন্য প্রথমেই গাছের মাথা পরিষ্কার করতে হয়। সাদা অংশ কেটে রোদে শুকানো হয়। পরবর্তীতে আবার তা কেটে নলিতে ছোট-বড় বাসন বেঁধে রস সংগ্রহ করা হয়।

তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের ঝুরঝুরি গ্রামের আবুল কাসেম বলেন, শীত যদিও এখনও তেমন একটা আসেনি, তাও এবার একটু আগেই গাছ প্রস্তুত করছি। একটি গাছকে ডাল পালা কেটে প্রস্তুত করতে কয়েক দিন সময় লাগে।
সিরাজগঞ্জে খেজুরের রস
গাছিদের ব্যবহারিক দক্ষতা অবাক করে দেয়। সাধারণত মাটির হাড়ি ব্যবহার করা হয়, যার ধারণক্ষমতা থাকে ৬ থেকে ১০ লিটার। ভালো রাখার জন্য হাড়ির ভিতরে চুনের প্রলেপ দেয়া হয়, তবে কাঁচা রস খাওয়ার গাছের হাড়িতে চুন দেওয়া হয় না।

সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ক্ষুদ্র শিয়ালকোল গ্রামের আবু আলী জানান, প্রথম ৩ দিন রস সংগ্রহের পর পরবর্তী ৩ দিন গাছ রোদে শুকানো হয়। বিকেল ৩টা থেকে হাড়ি বাঁধা শুরু হয়, আর ভোররাত ৫/৬টায় আমরা রস সংগ্রহ শুরু করি।

রায়গঞ্জের গাছি মনোয়ার জানান, এখন খেজুরের পরিমাণ কমে এসেছে। একজন গাছি ২০ থেকে ৩০টি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করেন। বেশিরভাগই অন্যের গাছ। প্রতিটি গাছের জন্য মালিককে দিতে হয় ৭–৮ কেজি লালি গুড় বা এক হাজার টাকা।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্ত জানান, উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় খেজুর গাছ রয়েছে। খেজুর গাছের জন্য বাড়তি কোনো পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। কৃষি বিভাগ কৃষকদের বাড়ির আশপাশ, জমির আইল, পুকুরপাড় এবং সড়কের ধারে খেজুর গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পরিত্যক্ত জমিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে খেজুর বাগান গড়ে তোলা হলে কৃষকেরা গুড় উৎপাদন করে আরো বেশী লাভবান হবে বলে তিনি জানান।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত