উল্লাপাড়া পৌর শহরের ফুটপাতে জন্ম নিয়েছে এক শিশু, তবে কিছুক্ষণ পর শিশু সন্তান রেখে পালিয়ে যান মা। ফুটপাত থেকে স্থানীয় লোকজন মা ও নবজাতককে হাসপাতালে ভর্তি করলেও এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আলোড়ন তৈরি হয়েছে এলাকায়। আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ভোরে পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া এলাকার কেয়ার হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে পৌর এলাকার হাসপাতালের সামনে প্রসবযন্ত্রণায় কাতর এক মায়ের কান্না শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। তারা দেখে, ফুটপাতেই জন্ম হয়েছে ফুটফুটে এক কন্যাশিশুর। পরে মা ও শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে মা পালিয়ে যান। উল্লাপাড়া উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। নবজাতকটি বর্তমানে সুস্থ আছে। ইতিমধ্যে নবজাতককে দত্তক নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন দায়িত্ববান ভালো মানুষের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে। উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে শিশুটিকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে কেয়ার হাসপাতালে একজন নার্সের তত্ত্বাবধানে রেখেছি। শিশুটি এখন সমাজসেবা অফিসের অধীনে আছে। এ পর্যন্ত অন্তত ১০টি পরিবার শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
112
উল্লাপাড়া পৌর শহরের ফুটপাতে জন্ম নিয়েছে এক শিশু, তবে কিছুক্ষণ পর শিশু সন্তান রেখে পালিয়ে যান মা। ফুটপাত থেকে স্থানীয় লোকজন মা ও নবজাতককে হাসপাতালে ভর্তি করলেও এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আলোড়ন তৈরি হয়েছে এলাকায়।
আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ভোরে পৌর শহরের শ্যামলীপাড়া এলাকার কেয়ার হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে পৌর এলাকার হাসপাতালের সামনে প্রসবযন্ত্রণায় কাতর এক মায়ের কান্না শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। তারা দেখে, ফুটপাতেই জন্ম হয়েছে ফুটফুটে এক কন্যাশিশুর। পরে মা ও শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে হাসপাতালে রেখে মা পালিয়ে যান।
উল্লাপাড়া উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারী মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। নবজাতকটি বর্তমানে সুস্থ আছে। ইতিমধ্যে নবজাতককে দত্তক নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন দায়িত্ববান ভালো মানুষের কাছে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, সকালে শিশুটিকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে কেয়ার হাসপাতালে একজন নার্সের তত্ত্বাবধানে রেখেছি। শিশুটি এখন সমাজসেবা অফিসের অধীনে আছে।
এ পর্যন্ত অন্তত ১০টি পরিবার শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানা গেছে।