1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. protikmahmud@yahoo.com : সিরাজগঞ্জ ইনফো : সিরাজগঞ্জ ইনফো
  5. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
                   
                       

যমুনার ভাঙনে দিশেহারা সিরাজগঞ্জ, আতঙ্কে হাজারো পরিবার

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
33

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জের সদর, কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে। গত দুই সপ্তাহের টানা ভাঙনে শতাধিক বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নতুন নতুন এলাকা ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়ায় আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ ইউনিয়নে ভাঙনের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। একসময় কয়েকশ পরিবার বসবাস করলেও ধারাবাহিক ভাঙনে জনপদের বড় অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। সাম্প্রতিক ভাঙনে আরও বহু পরিবার গৃহহীন হয়েছে। নদীর আগ্রাসন অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বহু বছরের সঞ্চয়ে গড়ে তোলা ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অনেক পরিবার আত্মীয়স্বজনের বাড়ি কিংবা অন্যের জমিতে অস্থায়ী আশ্রয় নিয়েছে। শুধু বসতভিটাই নয়, কবরস্থান, মসজিদ ও বিভিন্ন সামাজিক স্থাপনাও নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে।

চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চর সেলিমাবাদ, ভূতের মোড়, বিনানুই ও ভুসুরিয়া চরেও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহে এসব এলাকায় অন্তত ৩০ থেকে ৪০টি বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পাশাপাশি শত শত বিঘা আবাদি জমিও হারিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ তীররক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার অংশ ইতোমধ্যে যমুনায় বিলীন হয়েছে। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন ঠেকানোর কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানি আরও বাড়লে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর যমুনার ভাঙন চললেও স্থায়ী প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ভাঙন শুরু হওয়ার পর জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে না। তাদের দাবি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় স্থায়ী তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ ছাড়া এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার বেড়েছে। যদিও উভয় পয়েন্টেই পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, যমুনায় পানি বৃদ্ধির কারণে সদর, শাহজাদপুর, কাজিপুর ও চৌহালীর কয়েকটি এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়টিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।

01

02

Tags:

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

© কপিরাইট ২০২৬-২০২৭ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত