তাড়াশে শামুক নিধনের অভিযোগে আটজনকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। আসামিরা হলেন– উপজেলার দিঘি সগুনা গ্রামের আবুল কালাম, বেল্লাল হোসেন, আসলাম হোসেন, কুন্দইল গ্রামের শাকিল হোসেন, সাব্বির হোসেন, আসলাম হোসেন-২, আবদুর রাজ্জাক ও রিপন হোসেন। মঙ্গলবার উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল ব্রিজ এলাকায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ জেড এম নাহিদ হোসেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আট ব্যক্তিকে জরিমানা ও তাদের কাছ থেকে জব্দ করা শামুক চলনবিলে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাড়াশের হামকুড়িয়া, কুন্দইল, ভেটুযা, দিঘি সগুনা, মাগুড়াবিনোদ, বিলনাদো, মাকড়শোন, কামারশোন, সিংড়ার বেড়াবাড়ি, পানলী, বিয়াস, উল্লাপাড়ার খাদুলী, উধুনিয়া, বেতকান্দি, পাঙ্গাসি, পাবনার চাটমোহরের হান্ডিয়াল, কাটেঙ্গা, ডেফলচড়া, স্থল, গুরুদাসপুরের বিলশা, রুহাইসহ আট উপজেলার চলনবিলের অন্তত ৪৮টি পয়েন্টে শামুক সংগ্রহ করেন ১৩০-১৩৫ জন। বর্ষা মৌসুমে বাড়তি আয়ের জন্য তারা এগুলো চিংড়ি ঘের, হাঁসের খামার, পোলট্রি খাদ্য ও চুন তৈরির কারখানায় বিক্রি করেন। পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে শামুক আহরণের কারণে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। প্রকৃতির খাদ্যশৃঙ্খলায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে।
72
তাড়াশে শামুক নিধনের অভিযোগে আটজনকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল ব্রিজ এলাকায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ জেড এম নাহিদ হোসেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আট ব্যক্তিকে জরিমানা ও তাদের কাছ থেকে জব্দ করা শামুক চলনবিলে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তাড়াশের হামকুড়িয়া, কুন্দইল, ভেটুযা, দিঘি সগুনা, মাগুড়াবিনোদ, বিলনাদো, মাকড়শোন, কামারশোন, সিংড়ার বেড়াবাড়ি, পানলী, বিয়াস, উল্লাপাড়ার খাদুলী, উধুনিয়া, বেতকান্দি, পাঙ্গাসি, পাবনার চাটমোহরের হান্ডিয়াল, কাটেঙ্গা, ডেফলচড়া, স্থল, গুরুদাসপুরের বিলশা, রুহাইসহ আট উপজেলার চলনবিলের অন্তত ৪৮টি পয়েন্টে শামুক সংগ্রহ করেন ১৩০-১৩৫ জন। বর্ষা মৌসুমে বাড়তি আয়ের জন্য তারা এগুলো চিংড়ি ঘের, হাঁসের খামার, পোলট্রি খাদ্য ও চুন তৈরির কারখানায় বিক্রি করেন।
পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে শামুক আহরণের কারণে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। প্রকৃতির খাদ্যশৃঙ্খলায় বিরূপ প্রভাব পড়ছে। জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে।