শাহজাদপুরে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন, মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
শাহজাদপুরে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়ন, মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামবাসীর বিক্ষোভে মাদ্রাসার কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে গেছে। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে সোমবার রাতে উল্লাপাড়া উপজেলা থেকে জুগ্নীদহ তাহফিজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল মোন্নাফ (২৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে শাহজাদপুর উপজেলার জুগ্নীদহ গ্রামের বাসিন্দা এবং গাড়দহ গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার গভীর রাতে শিক্ষক আব্দুল মোন্নাফ আবাসিক কক্ষে থাকা দুই শিক্ষার্থীকে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। এসময় ঘটনা কাউকে জানালে 'দা দিয়ে হত্যা' করার হুমকি দেন। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের জানালে উত্তেজিত গ্রামবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে দুই শিক্ষককে মারধর করে। পরে মোন্নাফ পালিয়ে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মাদ্রাসার সব শিক্ষার্থী বাড়ি চলে যায়, ফলে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। শাহজাদপুর থানার ওসি আছলাম আলী বলেন, “গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল মোন্নাফ অভিযোগের বিষয় স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
70
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামবাসীর বিক্ষোভে মাদ্রাসার কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে গেছে।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে সোমবার রাতে উল্লাপাড়া উপজেলা থেকে জুগ্নীদহ তাহফিজুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আব্দুল মোন্নাফ (২৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়। সে শাহজাদপুর উপজেলার জুগ্নীদহ গ্রামের বাসিন্দা এবং গাড়দহ গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, রোববার গভীর রাতে শিক্ষক আব্দুল মোন্নাফ আবাসিক কক্ষে থাকা দুই শিক্ষার্থীকে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। এসময় ঘটনা কাউকে জানালে ‘দা দিয়ে হত্যা’ করার হুমকি দেন। ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের জানালে উত্তেজিত গ্রামবাসী মাদ্রাসায় গিয়ে দুই শিক্ষককে মারধর করে। পরে মোন্নাফ পালিয়ে যায়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মাদ্রাসার সব শিক্ষার্থী বাড়ি চলে যায়, ফলে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা পাবনা-নগরবাড়ি মহাসড়কে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শাহজাদপুর থানার ওসি আছলাম আলী বলেন, “গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আব্দুল মোন্নাফ অভিযোগের বিষয় স্বীকার করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”