সিরাজগঞ্জে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত
উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের শতবর্ষী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী কমিটির আয়োজনে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। উৎসব উপলক্ষে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তরা মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে পূজা ও আরাধনায় অংশ নেন। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বাল্যভোগ, বিশেষ পূজা-অর্চনা, গীতা পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা, কীর্তন এবং প্রসাদ বিতরণ। ভক্তদের অংশগ্রহণে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে ভক্তি ও প্রশান্তির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী এর আদর্শ মানবকল্যাণ, সেবা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। তাঁর আশীর্বাদ লাভ এবং আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে প্রতি বছর এ পাদুকা উৎসব আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তারা জানান। ধর্মীয় আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জীবনদর্শন মানুষের মধ্যে সত্য, ন্যায় ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দেয়। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করলে সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। অনুষ্ঠান শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকায় দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
113
উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের শতবর্ষী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী কমিটির আয়োজনে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।
উৎসব উপলক্ষে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তরা মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে পূজা ও আরাধনায় অংশ নেন। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বাল্যভোগ, বিশেষ পূজা-অর্চনা, গীতা পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা, কীর্তন এবং প্রসাদ বিতরণ। ভক্তদের অংশগ্রহণে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে ভক্তি ও প্রশান্তির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।
আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী এর আদর্শ মানবকল্যাণ, সেবা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। তাঁর আশীর্বাদ লাভ এবং আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে প্রতি বছর এ পাদুকা উৎসব আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তারা জানান।
ধর্মীয় আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জীবনদর্শন মানুষের মধ্যে সত্য, ন্যায় ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দেয়। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করলে সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
অনুষ্ঠান শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকায় দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
সিরাজগঞ্জে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত
উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের শতবর্ষী কালীবাড়ী গোবিন্দ বাড়ী ও ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী কমিটির আয়োজনে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। উৎসব উপলক্ষে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্তরা মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে পূজা ও আরাধনায় অংশ নেন। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বাল্যভোগ, বিশেষ পূজা-অর্চনা, গীতা পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা, কীর্তন এবং প্রসাদ বিতরণ। ভক্তদের অংশগ্রহণে পুরো মন্দির প্রাঙ্গণে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে ভক্তি ও প্রশান্তির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী এর আদর্শ মানবকল্যাণ, সেবা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। তাঁর আশীর্বাদ লাভ এবং আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে প্রতি বছর এ পাদুকা উৎসব আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে তারা জানান। ধর্মীয় আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জীবনদর্শন মানুষের মধ্যে সত্য, ন্যায় ও মানবতার বাণী ছড়িয়ে দেয়। তাঁর শিক্ষা অনুসরণ করলে সমাজে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। অনুষ্ঠান শেষে সকল ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। আয়োজক কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকায় দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।