সিরাজগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ আয়োজনকে কেন্দ্র করে এক ছায়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক সরাসরি এই জাতীয় সাংস্কৃতিক ও প্রতিভা বিকাশমূলক আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য আনোয়ারুল আজিম এ তথ্য জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও কিশোর খেলোয়াড় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৬’ মূলত শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশে একটি জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম তরুণ প্রজন্মের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের মধ্যে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। স্থানীয় পর্যায়ের এই ছায়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। উপস্থিতরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
42
সিরাজগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ আয়োজনকে কেন্দ্র করে এক ছায়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক সরাসরি এই জাতীয় সাংস্কৃতিক ও প্রতিভা বিকাশমূলক আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য আনোয়ারুল আজিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষক প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও কিশোর খেলোয়াড় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
‘নতুন কুঁড়ি ২০২৬’ মূলত শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশে একটি জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম তরুণ প্রজন্মের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের মধ্যে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
স্থানীয় পর্যায়ের এই ছায়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। উপস্থিতরা মনে করেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিকাশের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।