সিরাজগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) বাস্তবায়িত কৃষি ইউনিটের উদ্যোগে ৬০ জন কৃষকের মাঝে মোট ৩৬০ কেজি উন্নতমানের ব্রি ধান-১০০ ও ব্রি ধান-১০২ জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এনডিপি’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বীজ বিতরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা কৃষকদের হাতে এসব বীজ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্ম্মন। তিনি বলেন, ব্রি ধান-১০০ এবং ব্রি ধান-১০২ জিংকসমৃদ্ধ ও উচ্চফলনশীল জাত, যা মানবদেহে জিংকের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃষকদের ধান উৎপাদনের পাশাপাশি সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, 'বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি ঠিক থাকলে ভবিষ্যতে নিজস্ব বীজ দিয়েই গুণগতমান বজায় রাখা সম্ভব।' অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সামিয়া লুৎফা হাসান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ এবং মো. মাসুদ মন্ডল, ব্যবস্থাপক, এনডিপি আরএমটিপি প্রকল্প। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সামিয়া লুৎফা হাসান বলেন, 'আজ যেসব কৃষক বীজ পাচ্ছেন তাদের ভবিষ্যতে পুনরায় বীজ দেওয়া হবে না। তাই অবশ্যই সংরক্ষণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি মেনে চলা জরুরি।' তিনি এনডিপি’র উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনডিপি’র পরিচালক (ঋণ সহায়তা কর্মসূচি) ও ফোকাল পার্সন (কৃষি ইউনিট) মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ব্রি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাজার থেকে অশুদ্ধ জাতের বীজ কিনে অনেক প্রান্তিক কৃষক প্রতারিত হন, তাই ব্রি’র উন্নত বীজ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কার্যক্রমের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন এনডিপি কৃষি ইউনিটের ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল হালিম। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষকরা বিনামূল্যে বীজ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে ব্রি’র দেওয়া নির্দেশনা কাজে লাগানোর অঙ্গীকার করেন।
80
সিরাজগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) বাস্তবায়িত কৃষি ইউনিটের উদ্যোগে ৬০ জন কৃষকের মাঝে মোট ৩৬০ কেজি উন্নতমানের ব্রি ধান-১০০ ও ব্রি ধান-১০২ জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এনডিপি’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বীজ বিতরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা কৃষকদের হাতে এসব বীজ তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় সিরাজগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. হীরেন্দ্র নাথ বর্ম্মন।
তিনি বলেন, ব্রি ধান-১০০ এবং ব্রি ধান-১০২ জিংকসমৃদ্ধ ও উচ্চফলনশীল জাত, যা মানবদেহে জিংকের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃষকদের ধান উৎপাদনের পাশাপাশি সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি ঠিক থাকলে ভবিষ্যতে নিজস্ব বীজ দিয়েই গুণগতমান বজায় রাখা সম্ভব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সামিয়া লুৎফা হাসান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ এবং মো. মাসুদ মন্ডল, ব্যবস্থাপক, এনডিপি আরএমটিপি প্রকল্প।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সামিয়া লুৎফা হাসান বলেন, ‘আজ যেসব কৃষক বীজ পাচ্ছেন তাদের ভবিষ্যতে পুনরায় বীজ দেওয়া হবে না। তাই অবশ্যই সংরক্ষণ ও উৎপাদন প্রযুক্তি মেনে চলা জরুরি।’ তিনি এনডিপি’র উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনডিপি’র পরিচালক (ঋণ সহায়তা কর্মসূচি) ও ফোকাল পার্সন (কৃষি ইউনিট) মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ব্রি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাজার থেকে অশুদ্ধ জাতের বীজ কিনে অনেক প্রান্তিক কৃষক প্রতারিত হন, তাই ব্রি’র উন্নত বীজ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
কার্যক্রমের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন এনডিপি কৃষি ইউনিটের ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ আবদুল হালিম।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষকরা বিনামূল্যে বীজ পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে ব্রি’র দেওয়া নির্দেশনা কাজে লাগানোর অঙ্গীকার করেন।