ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বিষয়টি নিয়ে সিরাজগঞ্জ জুড়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টি বিএনপির জয়ের পরে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত। এতে অভিজ্ঞ ও সিনিয়র নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখও স্থান পাচ্ছেন। সম্ভাব্য তালিকায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচনায় আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া স্পিকার হিসেবে আব্দুল মঈন খান, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম আলোচনায় রয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন একাধিক নতুন নেতা। রুহুল কবির রিজভীকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আলোচনায় আছেন। অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।
এই প্রেক্ষাপটে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি এর আগে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে।
সিরাজগঞ্জের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, টুকু মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে। বিশেষ করে শিল্পায়ন, যোগাযোগ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
জেলার সাধারণ মানুষও আশা করছেন, সিরাজগঞ্জের এই অভিজ্ঞ নেতা মন্ত্রী হলে জেলার দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার সুযোগ তৈরি হবে। তাদের মতে, এটি সিরাজগঞ্জের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক বার্তা।
Tags: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নির্বাচন ২০২৬