সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে নবম গ্রেড নিশ্চিত করে চারস্তরীয় একাডেমিক পদসোপান চালুর দাবিতে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষকগণ। বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে শহরের সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সালেহা ইসহাক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক্ষক মোছাঃ লিলি খাতুন, সাথী রানী ঘোষ, রাফি আহমেদ, মো. গাজিবুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফাসহ বনোয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বক্তারা বলেন, “শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর হলেও বিভিন্নভাবে অবহেলিত। সরকারি চাকরির অন্যান্য ক্যাডারের সঙ্গে তাদের বৈষম্য করা হচ্ছে।” তারা মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক থেকে পৃথক করে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামোর দাবিও জানান। পরবর্তীতে তারা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্বারকলিপি জমা দেন। আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, জেলার প্রধান দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বনোয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
72
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এন্ট্রি পদে নবম গ্রেড নিশ্চিত করে চারস্তরীয় একাডেমিক পদসোপান চালুর দাবিতে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষকগণ।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে শহরের সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এই কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি, সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সালেহা ইসহাক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র শিক্ষক মোছাঃ লিলি খাতুন, সাথী রানী ঘোষ, রাফি আহমেদ, মো. গাজিবুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফাসহ বনোয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
বক্তারা বলেন, “শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর হলেও বিভিন্নভাবে অবহেলিত। সরকারি চাকরির অন্যান্য ক্যাডারের সঙ্গে তাদের বৈষম্য করা হচ্ছে।”
তারা মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক থেকে পৃথক করে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামোর দাবিও জানান।
পরবর্তীতে তারা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্বারকলিপি জমা দেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
উল্লেখ্য, জেলার প্রধান দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বনোয়ারী লাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও সালেহা ইসহাক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।