শিল্প-শিক্ষা উন্নয়নে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও চীনা শিক্ষাবিদদের বৈঠক
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
শিল্প-শিক্ষা উন্নয়নে সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন ও চীনা শিক্ষাবিদদের বৈঠক
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন (এসইজেডএল) এবং চীনের বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে অংশ নেন মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর (বাবি), চেংদু বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. মো. আলতাব হোসেন এবং ইউনিভার্সিটি অব ইলেকট্রনিক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়নার শিক্ষক মিসেস ইয়িন শিয়াওহুয়া। অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন, প্রধান কর্মকর্তা (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) লে. কর্নেল (অব.) মো. শরিফুল ইসলাম এবং জিএম (ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রকিউরমেন্ট) মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও শিল্প উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষাক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা, এবং শিল্পায়নে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। উল্লেখ্য, যমুনা সেতুমুখী মহাসড়কে গিয়ে সেতু পাড় হয়ে দক্ষিণে সদর উপজেলার খাসবড়শিমুল, পঞ্চসোনা, চকবয়রা এবং বেলকুচি উপজেলার বেলছুটি ও বড়বেরা খারুয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনোমিক জোন’। ১০৪২ একর জায়গায় গড়ে উঠছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। উদ্যোক্তাদের দাবি, এটি বেসরকারি খাতে দেশের বৃহৎ ও গ্রিন ইকোনমিক জোন। এই ইকোনমিক জোনে জায়গা পাবে প্রায় চার শতাধিক কোম্পানি। বড় জায়গা রাখা হয়েছে বিদেশি উদ্যোক্তাদের জন্যও। সব কলকারখানা চালু হলে এখানে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও প্লট বরাদ্দ চলছে। আর সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে অনেক নামকরা কোম্পানি ইতিমধ্যে জমি বরাদ্দ পেয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে— অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, ডায়নামিক ড্রেজিং, নিট এশিয়া, এমকে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, রাতুল ফ্যাব্রিক, অ্যাকটিভ কম্পোজিট মিলস, রাইজিং হোল্ডিংস, রাইজিং স্পিনিং মিলস, মেরিনা প্রপার্টিজ, টেক্সট টাউন, স্কয়ার এক্সেসরিজ এবং স্কয়ার ইলেকট্রনিক্স।
223
সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন (এসইজেডএল) এবং চীনের বিভিন্ন শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেন মিনিস্টার হাইটেক পার্ক লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর (বাবি), চেংদু বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. মো. আলতাব হোসেন এবং ইউনিভার্সিটি অব ইলেকট্রনিক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অব চায়নার শিক্ষক মিসেস ইয়িন শিয়াওহুয়া।
অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন, প্রধান কর্মকর্তা (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) লে. কর্নেল (অব.) মো. শরিফুল ইসলাম এবং জিএম (ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রকিউরমেন্ট) মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও শিল্প উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, শিক্ষাক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা, এবং শিল্পায়নে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পোন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
উল্লেখ্য, যমুনা সেতুমুখী মহাসড়কে গিয়ে সেতু পাড় হয়ে দক্ষিণে সদর উপজেলার খাসবড়শিমুল, পঞ্চসোনা, চকবয়রা এবং বেলকুচি উপজেলার বেলছুটি ও বড়বেরা খারুয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনোমিক জোন’। ১০৪২ একর জায়গায় গড়ে উঠছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। উদ্যোক্তাদের দাবি, এটি বেসরকারি খাতে দেশের বৃহৎ ও গ্রিন ইকোনমিক জোন।
এই ইকোনমিক জোনে জায়গা পাবে প্রায় চার শতাধিক কোম্পানি। বড় জায়গা রাখা হয়েছে বিদেশি উদ্যোক্তাদের জন্যও। সব কলকারখানা চালু হলে এখানে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে আরও প্লট বরাদ্দ চলছে। আর সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে অনেক নামকরা কোম্পানি ইতিমধ্যে জমি বরাদ্দ পেয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে— অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ, ডায়নামিক ড্রেজিং, নিট এশিয়া, এমকে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, রাতুল ফ্যাব্রিক, অ্যাকটিভ কম্পোজিট মিলস, রাইজিং হোল্ডিংস, রাইজিং স্পিনিং মিলস, মেরিনা প্রপার্টিজ, টেক্সট টাউন, স্কয়ার এক্সেসরিজ এবং স্কয়ার ইলেকট্রনিক্স।