1. zrtalukder@gmail.com : Zillur Talukder : Zillur Talukder
  2. ranaasad1979@gmail.com : Assaduzzaman Rana : Assaduzzaman Rana
  3. shafidocs@gmail.com : News Desk : News Desk
  4. test@xyz.com : Tech Use : Tech Use
নতুন সংবাদ
রায়গঞ্জে পুকুর দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২ ঈদ উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ সীমান্তে মূল্যবান পণ্যবাহী যান চলাচলে পুলিশ এসকর্ট ব্যবস্থা সারাদেশের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে অনিয়ম-জাল সনদ তালিকায় সিরাজগঞ্জের ২০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা মোহন রায়হানের, অর্থ দেবেন সাংস্কৃতিক কল্যাণে উল্লাপাড়ায় ইভটিজিংয়ে বাধা, দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১ চলনবিলের উর্বরতায় সরিষায় টানা শীর্ষে সিরাজগঞ্জ যমুনার তীর রক্ষায় চৌহালীতে মানববন্ধন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালো সিরাজগঞ্জের কমিউনিটি হেলথ কর্মীরা সিরাজগঞ্জে বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বার্ষিক পাদুকা উৎসব অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে সিএনজি স্টেশন নিয়ে ট্রাক শ্রমিক ও চালকদের সংঘর্ষ, কয়েকজন আহত
                   
                       

যমুনার চরে ‘লাল সোনা’ মরিচের বাম্পার ফলন

সিরাজগঞ্জ ইনফো
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
110

যমুনা নদী তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে নতুন পলিমাটিতে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে ‘লাল সোনা’ খ্যাত মরিচের। অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে এখন স্বস্তির হাসি ফুটেছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা সরাসরি চরাঞ্চলে এসে মরিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাতের বিজলী, যমুনা, রশনী, ঝিলিক, উন্নত জাত বারি-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে গড়ে ১১ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ থেকে আড়াই মেট্রিক টন।

বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ শুকনা মরিচ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা এবং কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম ভালো থাকায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভের মুখ দেখছেন। প্রতি সপ্তাহে কাজিপুর উপজেলার নাটুয়াপাড়া হাটে দেশের বিভিন্ন বড় কোম্পানির প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা এসে মরিচ কিনে নিচ্ছেন।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাসিম হোসেন বলেন, ভালো দামের কারণে চরের কৃষকরা মরিচ চাষে ব্যাপকভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ বছর শুধু সদর উপজেলাতেই প্রায় ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর চরাঞ্চলের জমি চাষের উপযোগী হয়ে ওঠে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৃষকরা মরিচ চাষ করছেন। এখানে হেক্টর প্রতি শুকনা মরিচের উৎপাদন গড়ে ২ দশমিক ৪ থেকে ২ দশমিক ৫ মেট্রিক টন হচ্ছে। স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বেড গোল্ড, বিজলী প্লাস এবং বালিজুরি জাতের মরিচও চাষ হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মওলা বলেন, মরিচের বাজারমূল্য ভালো থাকায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। অনুকূল পরিবেশ এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ বছর মরিচের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। এতে চরাঞ্চলের কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যমুনার চরাঞ্চলের উর্বর পলিমাটি এবং অনুকূল আবহাওয়া মরিচ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সঠিক পরিকল্পনা ও বাজার সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চল দেশের মরিচ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

01

02

Tags: ,

এই ধরনের আরও নিউজ

1

2

আরও সংবাদ

© কপিরাইট ২০২৫-২০২৬ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত