সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর পশ্চিমপারে জেলা পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানির প্রতিবাদে সলঙ্গার নলকা এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা। সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধ কর্মসূচি চলে। অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে ব্যানার নিয়ে অবস্থান নেন এবং অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কয়েকজন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বক্তব্য দেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, “হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশ নানা অজুহাতে গাড়ি চালানোর সময় পরিবহন শ্রমিকদের চরমভাবে হয়রানি করছে এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ চালকেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, দ্রুততম সময়ে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।” অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকে পড়ে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীসাধারণ ও মালবাহী গাড়ির চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে বিকেল পাঁচটার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর ধীরে ধীরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
42
সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতুর পশ্চিমপারে জেলা পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানির প্রতিবাদে সলঙ্গার নলকা এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা।
সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধ কর্মসূচি চলে।
অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা মহাসড়কে ব্যানার নিয়ে অবস্থান নেন এবং অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় কয়েকজন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বক্তব্য দেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, “হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশ নানা অজুহাতে গাড়ি চালানোর সময় পরিবহন শ্রমিকদের চরমভাবে হয়রানি করছে এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ চালকেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। আমরা চাই, দ্রুততম সময়ে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”
অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকে পড়ে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীসাধারণ ও মালবাহী গাড়ির চালকেরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসে বিকেল পাঁচটার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর ধীরে ধীরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।