বাংলা একাডেমি পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা মোহন রায়হানের, অর্থ দেবেন সাংস্কৃতিক কল্যাণে
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
বাংলা একাডেমি পুরস্কার গ্রহণের ঘোষণা মোহন রায়হানের, অর্থ দেবেন সাংস্কৃতিক কল্যাণে
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের পর অবশেষে পুরস্কার গ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের কৃতি মানুষ কবি মোহন রায়হান। রবিবার (১ মার্চ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, বাংলা একাডেমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাকে মনোনীত করেছিল এবং তিনি কখনো এ পুরস্কারের জন্য তদবির বা প্রত্যাশা করেননি। তবে নাম ঘোষণার পর একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এমনকি ২২ জন লেখক, কবি ও সাংবাদিকের নামে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট অনেকেই জানতেন না বলে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন। মোহন রায়হান দাবি করেন, পুরস্কার প্রদানের আগের দিন পর্যন্ত সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও শেষ মুহূর্তে ৪১ বছর আগে লেখা একটি কবিতাকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে তার পুরস্কার স্থগিত করা হয়। তিনি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত অপমানের পাশাপাশি মুক্তচিন্তার প্রতি অবমাননা হিসেবে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে ২ মার্চ তাকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। এ ঘোষণা ঘিরে পুরস্কার গ্রহণ বা বর্জন নিয়ে আলোচনা শুরু হলে জাতীয় কবিতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মত পুরস্কার গ্রহণের পক্ষে যায় বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করা মানে অপশক্তিকে জয়ী হতে দেওয়া। তবে পুরস্কারের অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করবেন না। সেটি সামর্থ্যহীন কবি, লেখক বা সাংস্কৃতিক কর্মীদের কল্যাণে দেওয়ার আহ্বান জানান। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কলম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন। সেই আস্থার জায়গা থেকেই তিনি পুরস্কার গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান। তার মতে, স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ ও বিশেষজ্ঞনির্ভর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হবে। সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, বিভাজনের চেয়ে ঐক্য এবং প্রতিহিংসার চেয়ে প্রজ্ঞাকে বেছে নেওয়াই উচিত। দেশের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পুরস্কার গ্রহণ করছেন বলেও উল্লেখ করেন।
35
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের পর অবশেষে পুরস্কার গ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জের কৃতি মানুষ কবি মোহন রায়হান।
রবিবার (১ মার্চ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, বাংলা একাডেমি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তাকে মনোনীত করেছিল এবং তিনি কখনো এ পুরস্কারের জন্য তদবির বা প্রত্যাশা করেননি। তবে নাম ঘোষণার পর একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এমনকি ২২ জন লেখক, কবি ও সাংবাদিকের নামে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট অনেকেই জানতেন না বলে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন।
মোহন রায়হান দাবি করেন, পুরস্কার প্রদানের আগের দিন পর্যন্ত সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও শেষ মুহূর্তে ৪১ বছর আগে লেখা একটি কবিতাকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে তার পুরস্কার স্থগিত করা হয়। তিনি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত অপমানের পাশাপাশি মুক্তচিন্তার প্রতি অবমাননা হিসেবে উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে ২ মার্চ তাকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। এ ঘোষণা ঘিরে পুরস্কার গ্রহণ বা বর্জন নিয়ে আলোচনা শুরু হলে জাতীয় কবিতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মত পুরস্কার গ্রহণের পক্ষে যায় বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের কাছে নতি স্বীকার করা মানে অপশক্তিকে জয়ী হতে দেওয়া। তবে পুরস্কারের অর্থ তিনি ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করবেন না। সেটি সামর্থ্যহীন কবি, লেখক বা সাংস্কৃতিক কর্মীদের কল্যাণে দেওয়ার আহ্বান জানান।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কলম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি আশ্বাস পেয়েছেন। সেই আস্থার জায়গা থেকেই তিনি পুরস্কার গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একই সঙ্গে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান। তার মতে, স্বচ্ছ, দলনিরপেক্ষ ও বিশেষজ্ঞনির্ভর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিতর্ক এড়ানো সম্ভব হবে।
সংবাদ সম্মেলনে মোহন রায়হান বলেন, বিভাজনের চেয়ে ঐক্য এবং প্রতিহিংসার চেয়ে প্রজ্ঞাকে বেছে নেওয়াই উচিত। দেশের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পুরস্কার গ্রহণ করছেন বলেও উল্লেখ করেন।