সিরাজগঞ্জের সাবেক এমপি ও সংশ্লিষ্টদের ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা ফ্রিজ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জের সাবেক এমপি ও সংশ্লিষ্টদের ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা ফ্রিজ
সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি তানভির শাকিল জয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের কারণে ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফ্রিজ করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আদালতের মাধ্যমে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তানভীর শাকিল জয়, তার মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরীসহ অন্যান্য সদস্যদের বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফ্রিজ করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, তানভির শাকিল জয় প্রতারণা, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে উক্ত বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন বলে বিজ্ঞিপ্তিতে জানানো হয়েছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তানভির শাকিল জয়, তার স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী, মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, ভাই তমাল মনসুর এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে মোট ৯৬টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাব খোলার সময়কাল থেকে হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, উক্ত অ্যাকাউন্টগুলোতে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, তানভির শাকিল জয় ও তার ভাই তমাল মনসুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পে টেন্ডার জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রচুর অবৈধ বিত্ত-সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে আসে। উক্ত অবৈধ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হিসেবে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামে মানিলন্ডারিং অনুসন্ধান কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট পরিচালনা করছে। অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান করা হচ্ছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
124
সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি তানভির শাকিল জয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের কারণে ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফ্রিজ করেছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আদালতের মাধ্যমে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তানভীর শাকিল জয়, তার মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরীসহ অন্যান্য সদস্যদের বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ফ্রিজ করে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, তানভির শাকিল জয় প্রতারণা, জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে উক্ত বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন বলে বিজ্ঞিপ্তিতে জানানো হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তানভির শাকিল জয়, তার স্ত্রী সাবরিনা সুলতানা চৌধুরী, মা লায়লা আরজুমান্দ বানু, ভাই তমাল মনসুর এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে মোট ৯৬টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাব খোলার সময়কাল থেকে হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, উক্ত অ্যাকাউন্টগুলোতে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, তানভির শাকিল জয় ও তার ভাই তমাল মনসুর ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রকল্পে টেন্ডার জালিয়াতি, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রচুর অবৈধ বিত্ত-সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে আসে। উক্ত অবৈধ অর্থ দেশের বাইরে পাচার করার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যদের নামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হিসেবে বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বর্তমানে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামে মানিলন্ডারিং অনুসন্ধান কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট পরিচালনা করছে। অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির সন্ধান করা হচ্ছে।
অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।