সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতার টাকা লেনদেন ভিডিও আসলে কী ছিল?
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদল নেতার টাকা লেনদেন ভিডিও আসলে কী ছিল?
সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা ছাত্রদল। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সবুজ দাবি করেন, ভিডিওতে দেখা টাকা কোনো চাঁদাবাজি বা অবৈধ লেনদেনের নয়, বরং জমি কেনাবেচার পাওনা টাকা। তিনি জানান, প্রায় ১০ মাস আগে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়াগোবিন্দ এলাকায় তার বাড়ির পাশের একটি জমি মনোয়ার হোসেন জিন্নাহ মো. আজিজের কাছে ২৫ লাখ ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এর মধ্যে দুই কিস্তিতে ২০ লাখ টাকা চেকে পরিশোধ করা হয়। বাকি টাকা জমি রেজিস্ট্রির সময় পরিশোধের কথা ছিল। লেনদেনের সময় জিন্নাহ উপস্থিত ছিলেন এবং ভিডিওতে যে ৬ হাজার টাকা দেখা যায়, তা আসলে দলিল লেখকের পাওনা। সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিক মনোয়ার হোসেন জিন্নাহ ও প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাহাঙ্গীর উপস্থিত থেকে একই বক্তব্য দেন। জিন্নাহ বলেন, ভিডিওতে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে তা সম্পূর্ণ জমির পাওনা টাকা, অন্য কিছু নয়। জুনায়েদ হোসেন সবুজ অভিযোগ করে বলেন, ভিডিওটির একটি অংশ কেটে সাংবাদিক তৈমুর ফারুক যাচাই না করেই প্রকাশ করেছেন। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারিক, যিনি তার ব্যক্তিগত বিরোধে জড়িত, ওই সময় উপস্থিত থেকেও ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, জমির দলিলের কপি ইতোমধ্যেই সিরাজগঞ্জ সদর থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় মানহানির মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পরদিন সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তার ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সিরাজগঞ্জে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।
146
সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুনায়েদ হোসেন সবুজের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা ছাত্রদল।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সবুজ দাবি করেন, ভিডিওতে দেখা টাকা কোনো চাঁদাবাজি বা অবৈধ লেনদেনের নয়, বরং জমি কেনাবেচার পাওনা টাকা।
তিনি জানান, প্রায় ১০ মাস আগে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়াগোবিন্দ এলাকায় তার বাড়ির পাশের একটি জমি মনোয়ার হোসেন জিন্নাহ মো. আজিজের কাছে ২৫ লাখ ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এর মধ্যে দুই কিস্তিতে ২০ লাখ টাকা চেকে পরিশোধ করা হয়। বাকি টাকা জমি রেজিস্ট্রির সময় পরিশোধের কথা ছিল। লেনদেনের সময় জিন্নাহ উপস্থিত ছিলেন এবং ভিডিওতে যে ৬ হাজার টাকা দেখা যায়, তা আসলে দলিল লেখকের পাওনা।
সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিক মনোয়ার হোসেন জিন্নাহ ও প্রত্যক্ষদর্শী মো. জাহাঙ্গীর উপস্থিত থেকে একই বক্তব্য দেন। জিন্নাহ বলেন, ভিডিওতে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে তা সম্পূর্ণ জমির পাওনা টাকা, অন্য কিছু নয়।
জুনায়েদ হোসেন সবুজ অভিযোগ করে বলেন, ভিডিওটির একটি অংশ কেটে সাংবাদিক তৈমুর ফারুক যাচাই না করেই প্রকাশ করেছেন। এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারিক, যিনি তার ব্যক্তিগত বিরোধে জড়িত, ওই সময় উপস্থিত থেকেও ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি জানান, জমির দলিলের কপি ইতোমধ্যেই সিরাজগঞ্জ সদর থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং এ ঘটনায় মানহানির মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পরদিন সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তার ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সিরাজগঞ্জে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।