সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলের কৃষকের দুশ্চিন্তা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলের কৃষকের দুশ্চিন্তা
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি প্রতিদিনই বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে চরাঞ্চলের নিম্নভূমিতে। শীতকালীন সবজি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এখনই বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনার পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ১২.১৩ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৫ সেন্টিমিটার। তবে এটি এখনও বিপৎসীমা (১২.৯০ মিটার)-এর ৭৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। কাজিপুরের মেঘাই পয়েন্টেও পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.৮০ মিটার, যেখানে একই সময়ে ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি হয়েছে। এটিও বিপৎসীমা (১৪.৮০ মিটার)-এর ১ মিটার নিচে রয়েছে। গত পাঁচ দিন ধরে যমুনাসহ ফুলজোড়, ইছামতি ও করতোয়াসহ স্থানীয় নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। এর ফলে নিচু এলাকার ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত পানির নিচে চলে যাচ্ছে। কৃষকরা নতুন করে বীজতলা তৈরি করবেন কিনা—সে বিষয়ে দ্বিধায় পড়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে পানি বাড়ছে। তবে পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পানি আরও দুই-তিন দিন বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না। তাই বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।” এদিকে আগাম সবজি চাষিদের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। পানিতে ডুবে গেছে বীজতলা ও চারা। এতে কৃষকদের অতিরিক্ত ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ নতুন করে বীজতলা তৈরি করার চিন্তা করছেন, তবে পানি কতদিনে নামবে তা অনিশ্চিত হওয়ায় তারা শঙ্কিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যমুনার পানি বৃদ্ধিতে তাৎক্ষণিক ভয়াবহ বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও কৃষকদের জন্য এটি চ্যালেঞ্জিং সময়। আগাম সবজি চাষে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, একইসঙ্গে কৃষিজমির ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।
60
উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি প্রতিদিনই বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে চরাঞ্চলের নিম্নভূমিতে। শীতকালীন সবজি ও ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, এখনই বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনার পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ১২.১৩ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৫ সেন্টিমিটার। তবে এটি এখনও বিপৎসীমা (১২.৯০ মিটার)-এর ৭৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। কাজিপুরের মেঘাই পয়েন্টেও পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.৮০ মিটার, যেখানে একই সময়ে ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি হয়েছে। এটিও বিপৎসীমা (১৪.৮০ মিটার)-এর ১ মিটার নিচে রয়েছে।
গত পাঁচ দিন ধরে যমুনাসহ ফুলজোড়, ইছামতি ও করতোয়াসহ স্থানীয় নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। এর ফলে নিচু এলাকার ফসলি জমি ও সবজি ক্ষেত পানির নিচে চলে যাচ্ছে। কৃষকরা নতুন করে বীজতলা তৈরি করবেন কিনা—সে বিষয়ে দ্বিধায় পড়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, “উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে পানি বাড়ছে। তবে পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী পানি আরও দুই-তিন দিন বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না। তাই বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।”
এদিকে আগাম সবজি চাষিদের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। পানিতে ডুবে গেছে বীজতলা ও চারা। এতে কৃষকদের অতিরিক্ত ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ নতুন করে বীজতলা তৈরি করার চিন্তা করছেন, তবে পানি কতদিনে নামবে তা অনিশ্চিত হওয়ায় তারা শঙ্কিত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যমুনার পানি বৃদ্ধিতে তাৎক্ষণিক ভয়াবহ বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও কৃষকদের জন্য এটি চ্যালেঞ্জিং সময়। আগাম সবজি চাষে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, একইসঙ্গে কৃষিজমির ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।