জামায়াত সরকার গঠন করলে সিরাজগঞ্জ থেকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
জামায়াত সরকার গঠন করলে সিরাজগঞ্জ থেকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষণা
সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তাঁকে মন্ত্রী করা হবে—এমন ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সংসদে গেলে তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বক্তব্যে জামায়াত আমির অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াতের বহু নেতাকর্মী বিনা বিচারে হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দাবি করেন, জনগণ আর ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন চায় না। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সমাজের সর্বস্তরে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের পর জামায়াতের সাড়ে তিন কোটি নেতাকর্মী কোনো ধরনের অপকর্মে জড়িত হননি। এ সময় তিনি বিএনপির সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় টেম্পুস্ট্যান্ড দখল ও মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। জনসভায় বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামায়াত আমির বলেন, হ্যাঁ ভোটে পরাজয় হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে এবং সে ক্ষেত্রে সরকার গঠনও ব্যাহত হবে। জনসভায় দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
33
সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তাঁকে মন্ত্রী করা হবে—এমন ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সংসদে গেলে তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
বক্তব্যে জামায়াত আমির অতীতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে জামায়াতের বহু নেতাকর্মী বিনা বিচারে হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দাবি করেন, জনগণ আর ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন চায় না।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক সমাজের সর্বস্তরে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করছে। তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের পর জামায়াতের সাড়ে তিন কোটি নেতাকর্মী কোনো ধরনের অপকর্মে জড়িত হননি।
এ সময় তিনি বিএনপির সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় টেম্পুস্ট্যান্ড দখল ও মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছেন।
জনসভায় বক্তব্যের এক পর্যায়ে জামায়াত আমির বলেন, হ্যাঁ ভোটে পরাজয় হলে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে এবং সে ক্ষেত্রে সরকার গঠনও ব্যাহত হবে।
জনসভায় দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।