কাজীপুরে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ, বিএনপির অস্বীকার
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
কাজীপুরে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ, বিএনপির অস্বীকার
সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসনে নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আমির মাওলানা শাহীনুর আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতের দাবি—বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজার নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও স্থানীয়রা জামায়াত সমর্থকদের দাবি, সোনামুখী এলাকার একটি ইসলামী জলসা থেকে ফেরার পথে শাহীনুর আলম ও তার সমর্থকদের বহরে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বিএনপির একদল কর্মী। হামলা ঠেকাতে গিয়ে জামায়াতের অন্তত ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে সোনামুখী ইউনিয়ন জামায়াত সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, কর্মী ওমর ফারুক ও আব্দুল আওয়ালকে রাতেই সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, একাধিক দফায় হামলা হয়েছে এবং তিনজন গুরুতর আহত। তারা এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অপরদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য—জামায়াতের প্রার্থী বা সমর্থকদের ওপর বিএনপির কেউ হামলা করেনি, বরং এ ধরনের সংবাদ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে। কাজীপুর থানার ওসি এনায়েতুর রহমান জানান, ঘটনাটি হামলা নয়, বরং জামায়াত ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে, যা নিয়ে সাধারণ ভোটাররাও উদ্বিগ্ন।
147
সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর ও সদরের একাংশ) আসনে নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আমির মাওলানা শাহীনুর আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতের দাবি—বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজার নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ও স্থানীয়রা জামায়াত সমর্থকদের দাবি, সোনামুখী এলাকার একটি ইসলামী জলসা থেকে ফেরার পথে শাহীনুর আলম ও তার সমর্থকদের বহরে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায় বিএনপির একদল কর্মী। হামলা ঠেকাতে গিয়ে জামায়াতের অন্তত ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে সোনামুখী ইউনিয়ন জামায়াত সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, কর্মী ওমর ফারুক ও আব্দুল আওয়ালকে রাতেই সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, একাধিক দফায় হামলা হয়েছে এবং তিনজন গুরুতর আহত। তারা এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অপরদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তার বক্তব্য—জামায়াতের প্রার্থী বা সমর্থকদের ওপর বিএনপির কেউ হামলা করেনি, বরং এ ধরনের সংবাদ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে।
কাজীপুর থানার ওসি এনায়েতুর রহমান জানান, ঘটনাটি হামলা নয়, বরং জামায়াত ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এখনও থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে, যা নিয়ে সাধারণ ভোটাররাও উদ্বিগ্ন।