সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২২০ বস্তা (১০ টন ৬শ’ কেজি) সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইব্রাহিম মন্ডল (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হলেও গুদামের মালিক পলাতক রয়েছেন। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার গাড়ামাসী বাশঁতলা এলাকার একটি গুদামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান পরিচালনা করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, খাদ্য ইন্সপেক্টর ইমরুল কায়েস, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ বিষয়ে ইউএনও আফরিন জাহান জানান, “জেলা এনএসআই কার্যালয়ের মাধ্যমে গোপন তথ্য পাই যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল অবৈধভাবে একটি গুদামে মজুত রাখা হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করি এবং একজনকে আটক করা হয়। পলাতক মালিকের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” উদ্ধার হওয়া এই চাল সরকারিভাবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে স্বল্প মূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে চালগুলো সংগ্রহ করে মজুত করে উচ্চমূল্যে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে অনিয়ম চলছে। এ চক্রের সাথে কিছু প্রভাবশালী মহল জড়িত থাকায় এ ধরনের অপরাধ বারবার ঘটছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযান শেষে জব্দকৃত চাল উপজেলা খাদ্য গুদামে হস্তান্তর করা হয়। আটক ইব্রাহিম মন্ডলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
76
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২২০ বস্তা (১০ টন ৬শ’ কেজি) সরকারি চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইব্রাহিম মন্ডল (২৬) নামে এক যুবককে আটক করা হলেও গুদামের মালিক পলাতক রয়েছেন।
রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার গাড়ামাসী বাশঁতলা এলাকার একটি গুদামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, খাদ্য ইন্সপেক্টর ইমরুল কায়েস, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এ বিষয়ে ইউএনও আফরিন জাহান জানান, “জেলা এনএসআই কার্যালয়ের মাধ্যমে গোপন তথ্য পাই যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল অবৈধভাবে একটি গুদামে মজুত রাখা হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে চালগুলো জব্দ করি এবং একজনকে আটক করা হয়। পলাতক মালিকের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
উদ্ধার হওয়া এই চাল সরকারিভাবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে স্বল্প মূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ ছিল। কিন্তু একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে চালগুলো সংগ্রহ করে মজুত করে উচ্চমূল্যে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে অনিয়ম চলছে। এ চক্রের সাথে কিছু প্রভাবশালী মহল জড়িত থাকায় এ ধরনের অপরাধ বারবার ঘটছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযান শেষে জব্দকৃত চাল উপজেলা খাদ্য গুদামে হস্তান্তর করা হয়। আটক ইব্রাহিম মন্ডলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।