সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানিতে চরাঞ্চলের বহু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা। শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ পরিস্থিতি জানা গেছে। শহরের বড় বাজার, স্টেশন বাজার, পৌর কাঁচাবাজার, কাঠেরপুলসহ সব কাঁচাবাজারেই সবজির দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, পেয়াজ ৮০ টাকা, আদা ২০০ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা (আকারভেদে) এবং কাঁচা পেপে ২০-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা, খাসি ১১০০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৯০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালের দামও কেজিপ্রতি ৬-৭ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, চরাঞ্চলের সবজি জমি প্লাবিত হওয়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ কমেছে। অন্যদিকে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নৌকা ও অন্যান্য যানবাহনে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে আড়ত থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেন, পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন সংকটের পাশাপাশি কিছু সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীও কারসাজি করে দাম আরও বাড়াচ্ছেন। মেছড়া চরের কৃষক লোকমান জানান, “চর এলাকায় অনেক জমির সবজি পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। আবার যা বেঁচে আছে, তা আনা-নেওয়ায় খরচ বেশি পড়ে।” অন্যদিকে, খেটে খাওয়া মানুষেরা প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়ছেন। সচেতন মহল মনে করছেন, পরিবহন সমস্যার সমাধান ও বাজার তদারকি জোরদার না করলে এই অস্থিরতা আরও বাড়বে।
61
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানিতে চরাঞ্চলের বহু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ও পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।
শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ পরিস্থিতি জানা গেছে।
শহরের বড় বাজার, স্টেশন বাজার, পৌর কাঁচাবাজার, কাঠেরপুলসহ সব কাঁচাবাজারেই সবজির দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুন প্রতি কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৪০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, পেয়াজ ৮০ টাকা, আদা ২০০ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা (আকারভেদে) এবং কাঁচা পেপে ২০-৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকা, খাসি ১১০০ টাকা, সোনালী মুরগি ২৯০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালের দামও কেজিপ্রতি ৬-৭ টাকা বেড়েছে।
বিক্রেতারা জানান, চরাঞ্চলের সবজি জমি প্লাবিত হওয়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ কমেছে। অন্যদিকে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে নৌকা ও অন্যান্য যানবাহনে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে, ফলে আড়ত থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেন, পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন সংকটের পাশাপাশি কিছু সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীও কারসাজি করে দাম আরও বাড়াচ্ছেন।
মেছড়া চরের কৃষক লোকমান জানান, “চর এলাকায় অনেক জমির সবজি পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। আবার যা বেঁচে আছে, তা আনা-নেওয়ায় খরচ বেশি পড়ে।”
অন্যদিকে, খেটে খাওয়া মানুষেরা প্রতিদিনের বাজারে গিয়ে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়ছেন। সচেতন মহল মনে করছেন, পরিবহন সমস্যার সমাধান ও বাজার তদারকি জোরদার না করলে এই অস্থিরতা আরও বাড়বে।