সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে চরাঞ্চলের নিম্নভূমি প্লাবিত হয়ে শীতকালীন সবজি ও ফসলি জমি ডুবে যাচ্ছে। এতে কৃষকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা দেখা দিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বড় ধরনের বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনার পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২.১৩ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ৪ সেন্টিমিটার। তবে এটি বিপৎসীমার (১২.৯০ মিটার) এখনও ৭৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। অন্যদিকে কাজিপুরের মেঘাই পয়েন্টে পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৩.৮০ মিটার, যা বিপৎসীমার (১৪.৮০ মিটার) ১ মিটার নিচে।
গত পাঁচ দিন ধরে যমুনার পাশাপাশি ফুলজোড়, ইছামতি ও করতোয়াসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। এর প্রভাবে নিচু জমির শীতকালীন সবজি ক্ষেত ও চাষাবাদ পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, পানি আরও বাড়লে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে আগাম সবজি আবাদ।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান জানান, উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে পানি বাড়ছে। আগামী দু-এক দিন পানি বাড়তে পারে, তবে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না। তাই বড় বন্যার কোনো ঝুঁকি নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
কৃষকরা যদিও ক্ষতির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন—পানি উন্নয়ন বোর্ডের পর্যবেক্ষণ মেনে চললে আতঙ্ক নয়, বরং সতর্ক থাকলেই ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।
Tags: সিরাজগঞ্জে বন্যা