চৌহালী ও এনায়েতপুরের স্পার বাঁধগুলো একেকটি পর্যটন কেন্দ্র
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫
চৌহালী ও এনায়েতপুরের স্পার বাঁধগুলো একেকটি পর্যটন কেন্দ্র
সিরাজগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে যমুনা নদী যেমন ভয় আর বেদনার নাম, তেমনি এখন সেটিই হয়ে উঠছে ভরসা ও আনন্দের উৎস। নদীভাঙনের দীর্ঘ আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে চৌহালি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুরে ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। নদী ভাঙনের করাল থাবা ঠেকিয়ে এই বাঁধ আজ এলাকাবাসীর রক্ষাকবচে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়—বাঁধ ঘিরে গড়ে উঠেছে এক নতুন পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। শুক্রবার কিংবা যেকোনো ছুটির দিনে হাজারো মানুষ ভিড় করেন বেলকুচির এনায়েতপুর যমুনা স্পার, বেতিল স্পার এবং চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধে। প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ, নদীর কলকল ধ্বনি আর বিস্তীর্ণ বাঁধের উপর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো—এসব মিলেমিশে ভ্রমণপিয়াসীদের জন্য তৈরি করেছে অনন্য অভিজ্ঞতা। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে মানুষ আসছেন দূরদূরান্ত থেকে, কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়। যমুনার তীর ঘেঁষে সাজানো এনায়েতপুর অঞ্চলের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান। খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল, তাঁত শিল্প, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ খচিত খাজা এনায়েতপুরীর মাজার—সব মিলিয়ে এই এলাকা হয়ে উঠছে পর্যটন মানচিত্রের এক আকর্ষণীয় নাম। ঢাকা কিংবা উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা থেকে সহজেই যাওয়া যায় এসব জায়গায়। যমুনা সেতু পেরিয়ে সায়দাবাদ হয়ে এনায়েতপুর যেতে সিএনজি, অটোরিকশা ও লোকাল বাস যাত্রীদের প্রধান বাহন। পথ সহজ আর পরিবেশ সুন্দর—তাই দিন দিন বেড়েই চলেছে ভ্রমণকারীর পদচারণা। অতীতে যে নদীভাঙন স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল আর জীবিকা কেড়ে নিয়েছিল, সেই যমুনার তীর আজ এক নতুন গল্প লিখছে—নিরাপত্তা ও উন্নয়নের গল্প, আর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিনোদন আর আনন্দের এক রঙিন অধ্যায়!
201
সিরাজগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে যমুনা নদী যেমন ভয় আর বেদনার নাম, তেমনি এখন সেটিই হয়ে উঠছে ভরসা ও আনন্দের উৎস। নদীভাঙনের দীর্ঘ আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিতে চৌহালি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুরে ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
নদী ভাঙনের করাল থাবা ঠেকিয়ে এই বাঁধ আজ এলাকাবাসীর রক্ষাকবচে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়—বাঁধ ঘিরে গড়ে উঠেছে এক নতুন পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র।
শুক্রবার কিংবা যেকোনো ছুটির দিনে হাজারো মানুষ ভিড় করেন বেলকুচির এনায়েতপুর যমুনা স্পার, বেতিল স্পার এবং চৌহালী শহর রক্ষা বাঁধে। প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ, নদীর কলকল ধ্বনি আর বিস্তীর্ণ বাঁধের উপর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো—এসব মিলেমিশে ভ্রমণপিয়াসীদের জন্য তৈরি করেছে অনন্য অভিজ্ঞতা। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে মানুষ আসছেন দূরদূরান্ত থেকে, কাটাচ্ছেন আনন্দঘন সময়।
যমুনার তীর ঘেঁষে সাজানো এনায়েতপুর অঞ্চলের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এখানকার ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান। খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল, তাঁত শিল্প, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ খচিত খাজা এনায়েতপুরীর মাজার—সব মিলিয়ে এই এলাকা হয়ে উঠছে পর্যটন মানচিত্রের এক আকর্ষণীয় নাম।
ঢাকা কিংবা উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা থেকে সহজেই যাওয়া যায় এসব জায়গায়। যমুনা সেতু পেরিয়ে সায়দাবাদ হয়ে এনায়েতপুর যেতে সিএনজি, অটোরিকশা ও লোকাল বাস যাত্রীদের প্রধান বাহন। পথ সহজ আর পরিবেশ সুন্দর—তাই দিন দিন বেড়েই চলেছে ভ্রমণকারীর পদচারণা।
অতীতে যে নদীভাঙন স্থানীয় মানুষের ঘরবাড়ি, ফসল আর জীবিকা কেড়ে নিয়েছিল, সেই যমুনার তীর আজ এক নতুন গল্প লিখছে—নিরাপত্তা ও উন্নয়নের গল্প, আর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিনোদন আর আনন্দের এক রঙিন অধ্যায়!