বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব, শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে সিরাজগঞ্জসহ সারাদেশে। আজ রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহাষষ্ঠী দিয়ে শুরু দুর্গাপূজা।
ভক্তের ভক্তি, নিষ্ঠা আর পূজার আনুষ্ঠানিকতায় মাতৃরূপে দেবী দুর্গা অধিষ্ঠিত হবেন সিরাজগঞ্জসহ দেশের মণ্ডপে মণ্ডপে। জেলার এবার ৫২৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আগামীকাল (সোমবার ২৯ সেপ্টেম্বর) মহাসপ্তমী।
শনিবার সায়ংকালে বোধন হয়েছে মণ্ডপগুলোতে, ক্ষণে ক্ষণে উলুধ্বনি, শঙ্খ, কাঁসর আর ঢাকের বাদ্যি জানান দিচ্ছে, ঠাকুরঘরে উদ্ভাসিত মৃন্ময়ী রূপ প্রতিমা বরণ চলছে।
বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এই পূজা ঐতিহ্যবাহী বারোয়ারি বা কমিউনিটি পূজা হিসেবে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করে। সনাতন বিশ্বাসে ধূপের ধোঁয়ায় রবিবার সায়ংকালে ঢাক-ঢোলক-কাঁসর-মন্দিরার চারদিক কাঁপানো নিনাদ আর পুরোহিতদের জলদকণ্ঠে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় আবহমানকাল ধরে বিপুল উত্সাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উত্সবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সমাজের সব স্তরের মানুষ একত্রিত হন, মিলিত হন আনন্দ-উৎসবে। উৎসবের এই উপলক্ষ পারস্পরিক সহমর্মিতাকে আরও বৃদ্ধি করে, সৃষ্টি হয় ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বন্ধন। শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোকে ভাস্বর হয়ে উঠুক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধন আরও সুসংহত হোক।’
পূজাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আনসার, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্তৃপক্ষের সেচ্ছাসেবীরা মন্ডপগুলোতে অবস্থান নিয়েছে। সিরাজগঞ্জ শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মন্ডপের আশেপাশের আলোকসজ্জা উৎসবের পরিবেশ তৈরি করেছে।
Tags: দুর্গাপূজায় সিরাজগঞ্জ