সিরাজগঞ্জের পালপাড়ায় প্রতিমা তৈরির ধুম, ব্যস্ত কারিগররা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জের পালপাড়ায় প্রতিমা তৈরির ধুম, ব্যস্ত কারিগররা
শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার পালপাড়ায় চলছে প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততা। প্রায় ৭০-৭৫ বছর ধরে এখানকার কারিগররা প্রতিমা তৈরি করছেন। শুধু সিরাজগঞ্জ নয়, টাঙ্গাইল, পাবনা, নাটোর ও বগুড়াসহ আশপাশের জেলাগুলোতেও যাচ্ছে এসব প্রতিমা। এবার সিরাজগঞ্জ জেলার ৫১১টি মন্দিরে পূজার প্রস্তুতি চলছে। পালপাড়ার কারিগররা দিনরাত পরিশ্রম করে দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা তৈরি করছেন। গত তিন মাস ধরে অবিরাম পরিশ্রমের ফল এখন দৃশ্যমান। প্রতিমার কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, চলছে রঙ ও সাজসজ্জার কাজ। পালপাড়ার ১৩টি বাড়িতে একসাথে প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। এ বছর প্রায় ১৫০টি মণ্ডপের জন্য প্রতিমা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বগুড়া, পাবনা ও রংপুর থেকেও দক্ষ কারিগর এসে কাজ করছেন। তাদের দৈনিক ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে, সঙ্গে খাবার ও থাকার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এই কাজে নারীরাও পিছিয়ে নেই। বাড়ির নারী, শিশু, কলেজ-ভার্সিটির শিক্ষার্থীরাও প্রতিমা তৈরিতে অংশ নিচ্ছেন। তবে কারিগরদের কিছু দাবি-দাওয়াও আছে। অভিজ্ঞ কারিগর ভজো পাল জানান, বাঁশ, কাঠ, সুতলির দাম অনেক বেড়েছে কিন্তু প্রতিমার দাম তত বাড়ে না। তিনি সরকারের কাছে প্রতিমা তৈরির জন্য শেড, ভালো রাস্তা ও সোলার লাইটের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের একাধিক টিম পালপাড়ায় টহল দিচ্ছে। কামারখন্দ থানার উপপরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বলেন, "কারিগরদের নিরাপত্তায় আমাদের টিম কাজ করছে। প্রতিমা যেন সুষ্ঠুভাবে সরবরাহ করা যায়, সে ব্যবস্থাও নিচ্ছি।"
64
শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার পালপাড়ায় চলছে প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততা। প্রায় ৭০-৭৫ বছর ধরে এখানকার কারিগররা প্রতিমা তৈরি করছেন।
শুধু সিরাজগঞ্জ নয়, টাঙ্গাইল, পাবনা, নাটোর ও বগুড়াসহ আশপাশের জেলাগুলোতেও যাচ্ছে এসব প্রতিমা।
এবার সিরাজগঞ্জ জেলার ৫১১টি মন্দিরে পূজার প্রস্তুতি চলছে। পালপাড়ার কারিগররা দিনরাত পরিশ্রম করে দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা তৈরি করছেন। গত তিন মাস ধরে অবিরাম পরিশ্রমের ফল এখন দৃশ্যমান। প্রতিমার কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, চলছে রঙ ও সাজসজ্জার কাজ।
পালপাড়ার ১৩টি বাড়িতে একসাথে প্রতিমা তৈরি হচ্ছে। এ বছর প্রায় ১৫০টি মণ্ডপের জন্য প্রতিমা প্রস্তুত করা হচ্ছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বগুড়া, পাবনা ও রংপুর থেকেও দক্ষ কারিগর এসে কাজ করছেন। তাদের দৈনিক ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা মজুরি দেওয়া হচ্ছে, সঙ্গে খাবার ও থাকার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এই কাজে নারীরাও পিছিয়ে নেই। বাড়ির নারী, শিশু, কলেজ-ভার্সিটির শিক্ষার্থীরাও প্রতিমা তৈরিতে অংশ নিচ্ছেন।
তবে কারিগরদের কিছু দাবি-দাওয়াও আছে। অভিজ্ঞ কারিগর ভজো পাল জানান, বাঁশ, কাঠ, সুতলির দাম অনেক বেড়েছে কিন্তু প্রতিমার দাম তত বাড়ে না। তিনি সরকারের কাছে প্রতিমা তৈরির জন্য শেড, ভালো রাস্তা ও সোলার লাইটের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে পূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের একাধিক টিম পালপাড়ায় টহল দিচ্ছে। কামারখন্দ থানার উপপরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান বলেন, “কারিগরদের নিরাপত্তায় আমাদের টিম কাজ করছে। প্রতিমা যেন সুষ্ঠুভাবে সরবরাহ করা যায়, সে ব্যবস্থাও নিচ্ছি।”