সিরাজগঞ্জে গ্রাম আদালত নিয়ে জেলা প্রশাসকের পর্যালোচনা সভা
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জে গ্রাম আদালত নিয়ে জেলা প্রশাসকের পর্যালোচনা সভা
“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার—চলো যাই গ্রাম আদালতে” স্লোগানকে সামনে রেখে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালত সেবা নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করতে হবে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো জরুরি। যেখানে এজলাস নেই, সেখানে দ্রুত এজলাস স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়। আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ নুর নাহার বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান, ইউএনডিপি প্রজেক্ট অ্যানালিস্ট সুমন চাকমা, মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার মো. আব্দুল হান্নান। বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে। এখানে বাদী-বিবাদী নিজেরাই কথা বলতে পারেন, আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন নেই। চুরি, ঝগড়া-বিবাদ, দাঙ্গা, প্রতারণা, নারীর প্রতি অশালীন আচরণ, গবাদিপশুর ক্ষতি, পাওনা টাকা আদায়সহ নানা বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প খরচে নিষ্পত্তি হয় এই আদালতে। উল্লেখ্য, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার সহজলভ্য করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
187
“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার—চলো যাই গ্রাম আদালতে” স্লোগানকে সামনে রেখে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এরই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ কে শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “গ্রাম আদালত সেবা নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করতে হবে। এজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো জরুরি। যেখানে এজলাস নেই, সেখানে দ্রুত এজলাস স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়। আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ নুর নাহার বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান, ইউএনডিপি প্রজেক্ট অ্যানালিস্ট সুমন চাকমা, মহিলা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা এবং গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার মো. আব্দুল হান্নান।
বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে। এখানে বাদী-বিবাদী নিজেরাই কথা বলতে পারেন, আইনজীবী নিয়োগের প্রয়োজন নেই। চুরি, ঝগড়া-বিবাদ, দাঙ্গা, প্রতারণা, নারীর প্রতি অশালীন আচরণ, গবাদিপশুর ক্ষতি, পাওনা টাকা আদায়সহ নানা বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প খরচে নিষ্পত্তি হয় এই আদালতে।
উল্লেখ্য, গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে ন্যায়বিচার সহজলভ্য করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।