সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডের ধাক্কা সামাল দিয়ে যমুনাপাড়ের জেলা সিরাজগঞ্জে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। বাতাসের সঙ্গে কনকনে শীতে কাহিল হয়ে পড়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নারী-শিশু, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছেন।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে এই জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৯ শতাংশ, যা শীতের অনুভূতিকে আরো তীব্র করে তুলেছে। শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়।
তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বৃষ্টির মতো ঝিরিঝিরি কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়াও বইছে, যে কারণে শীতের তীব্রতা বেশি। সকালে তাড়াশে তাপমাত্রা ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকতে পারে। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে শীতের প্রকোপ বেশি অনুভূত হচ্ছে।’
শিশু ও বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও জ্বরসহ ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
Tags: শৈত্য প্রবাহ, সিরাজগঞ্জের আবহাওয়া