বেলকুচিতে ৬ কোটির ব্রিজে নেই রাস্তা, ভোগান্তিতে ১০ গ্রামের মানুষ
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
বেলকুচিতে ৬ কোটির ব্রিজে নেই রাস্তা, ভোগান্তিতে ১০ গ্রামের মানুষ
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মধ্য দেলুয়া এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে প্রায় সোয়া ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭২ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ চার বছরেও ব্যবহারযোগ্য হয়নি। কারণ, ব্রিজটির অ্যাপ্রোচ সড়ক এখনো নির্মাণ করা হয়নি। ফলে অন্তত ৯-১০ গ্রামের ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, যমুনার একটি ক্যানেল পার হয়ে প্রতিদিন বেলকুচি সদর ইউনিয়নের মধ্য দেলুয়া, দেলুয়া, রতনকান্দি, চর দেলুয়া, সোহাগপুর, বড়ধুলসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষায় নৌকা, শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো বা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয়। কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাড়তি সময় ও খরচ হয়। ব্রিজ নির্মাণে আশার আলো দেখলেও অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় তাদের কষ্ট দূর হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ব্রিজের কাজ শেষ হলেও ঠিকাদাররা রাস্তা না করে টাকা নিয়ে চলে গেছে। তারা দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান। এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে চরদেলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-বক্কার প্রামাণিকের বাড়ি পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজের মূল কাঠামো ২০২১ সালের মধ্যে শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় সড়ক নির্মাণ হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ব্রিজটির স্ট্রাকচারাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা থাকায় সড়ক নির্মাণ আটকে আছে। জমি অধিগ্রহণ শেষ হলেই বাকি কাজ শেষ করা হবে। এদিকে, ব্রিজ ঘিরে আশার স্বপ্ন দেখলেও এখনো ভোগান্তিতেই দিন কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ।
142
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মধ্য দেলুয়া এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে প্রায় সোয়া ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭২ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ চার বছরেও ব্যবহারযোগ্য হয়নি। কারণ, ব্রিজটির অ্যাপ্রোচ সড়ক এখনো নির্মাণ করা হয়নি। ফলে অন্তত ৯-১০ গ্রামের ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, যমুনার একটি ক্যানেল পার হয়ে প্রতিদিন বেলকুচি সদর ইউনিয়নের মধ্য দেলুয়া, দেলুয়া, রতনকান্দি, চর দেলুয়া, সোহাগপুর, বড়ধুলসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষায় নৌকা, শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো বা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে হয়। কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাড়তি সময় ও খরচ হয়। ব্রিজ নির্মাণে আশার আলো দেখলেও অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় তাদের কষ্ট দূর হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, ব্রিজের কাজ শেষ হলেও ঠিকাদাররা রাস্তা না করে টাকা নিয়ে চলে গেছে। তারা দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে চরদেলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-বক্কার প্রামাণিকের বাড়ি পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ব্রিজের মূল কাঠামো ২০২১ সালের মধ্যে শেষ হলেও জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় সড়ক নির্মাণ হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, ব্রিজটির স্ট্রাকচারাল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় জটিলতা থাকায় সড়ক নির্মাণ আটকে আছে। জমি অধিগ্রহণ শেষ হলেই বাকি কাজ শেষ করা হবে।