সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্পের জমির ক্ষতিপূরণ বিতরণ শুরু
সিরাজগঞ্জ ইনফো
আপডেট সময়
শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্পের জমির ক্ষতিপূরণ বিতরণ শুরু
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ক্ষতিপূরণের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। প্রথম দিনে দুইজন আবেদনকারীর মাঝে মোট ১ কোটি ৬৪ লাখ ৩২ হাজার ২৭৫ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রকল্পের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ১৪টি, কামারখন্দ উপজেলার ৪টি এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ১৯টি মৌজাসহ মোট ৩৭টি মৌজার ৪২০.৬৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ বিতরণের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াধীন অন্যান্য আবেদনের বিপরীতে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। নতুন রেল সংযোগ বাস্তবায়নের ফলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে।” রেলপথ নির্মাণ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, যাত্রী ও মালবাহী পরিবহন ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
262
সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ক্ষতিপূরণের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
প্রথম দিনে দুইজন আবেদনকারীর মাঝে মোট ১ কোটি ৬৪ লাখ ৩২ হাজার ২৭৫ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রকল্পের জন্য সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ১৪টি, কামারখন্দ উপজেলার ৪টি এবং রায়গঞ্জ উপজেলার ১৯টি মৌজাসহ মোট ৩৭টি মৌজার ৪২০.৬৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
ক্ষতিপূরণ বিতরণের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, “ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াধীন অন্যান্য আবেদনের বিপরীতে জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। নতুন রেল সংযোগ বাস্তবায়নের ফলে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও গতিশীল হবে।”
রেলপথ নির্মাণ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, যাত্রী ও মালবাহী পরিবহন ব্যবস্থায় গতি আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।